প্রকাশিত: ২২/০২/২০১৭ ৯:৩৮ পিএম , আপডেট: ২২/০২/২০১৭ ১০:৫২ পিএম

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি::

দূর্গম জনপদের স্বপ্নবাজ একদল ফুটবল যোদ্ধা। তাদের ছোট্ট দুটি পায়ের ফুটবলশৈলিতে মুগ্ধ সবাই। একে একে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেড়ারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফুটবল টূর্নামেন্টের শিরোপা ঘরে তুলে এখন বঙ্গবন্ধু ষ্টেডিয়ামের স্বপ্নের সবুজ মাঠ মাতাতে তারা ঢাকায়। টূর্নামেন্টের প্রথম প্রতিপক্ষ আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারী (বৃহস্পতিবার) ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলা। বলছিলাম বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের আলী মিয়া পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা ফুটবল দলের কথা।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রবিন চাক জানান, শিক্ষকরা তাদের সর্বস্থ উজাড় করে স্কুল মহিলা ফুটবল দলকে সার্বিক সহযোগীতা করেছেন। পড়ালেখার পাশাপাশি ফুটবল মাঠে বল নিয়ে দোড়ানো এবং কিভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে সহজে জিততে হয়। তিনি স্থানীয় সাবেক ফুটবলার এবং স্কুলের দপ্তরী কাম প্রহরী অংক্যালা মার্মাকে ধন্যবাদ জানান। যার অক্লান্ত পরিশ্রমে ইউনিয়ন পেরিয়ে এখন রাজধানী ঢাকায়। এ সাফল্যে তিনি এলাকার রাজনৈতিক, সামাজিক, গনমাধ্যমকর্মী সহ ফুটবলপ্রেমী শুভাকাংখিদের আন্তরিক ধন্যবাদের পাশাপাশি সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন।

সহকারী শিক্ষক মোঃ ইদ্রিস জানান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর দীর্ঘদিন প্যাকটিস সামগ্রীর অভাবে খেলার বাহিরে ছিল দলটি। সহকারী শিক্ষকরা নিজেদের উদ্দ্যেগেই তাদেরকে ফুটবল ক্রয় করে দেন এবং নিয়মিত প্যাকটিস করার সুযোগ করে দেন।

এদিকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ক্যাচিও মার্মা বলেন, দীর্ঘদিন এক সাথে খেলার মধ্যে থাকায় তাদের মধ্যে একটি ইউনিটি তৈরী হয়েছে। সেই ইউনিটিই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সক্ষম বলে জানালেন তিনি। তিনি আশা করেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ফুটবল টূর্নামেন্টের দেশ সেরা হবেন বাইশারীর আলী মিয়া পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা ফুটবল দল।

দলের অধিনায়ক ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নায়েচাই মার্মা বলেন, দূর্গম জনপদের কংকর ভরা মাঠে অভ্যস্থ আমরা। সবুজ মাঠে খেলতে অভ্যস্থ না হলেও দলের খেলোয়াড়দের মাঝে ব্যাপক সমঝোতা এবং স্পিরিট রয়েছে। তাছাড়া দলের সবাই সবুজ মাঠে খেলতে উম্মুখ হয়ে আছে। তবে লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন বলে জানালেন অন্যান্য খেলোয়াড়রাও।

প্রশিক্ষক সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশিদ বলেন, তিনি ক’দিন পূর্বে স্কুলে যোগদান করেছেন এবং ফুটবলারদের তেমন ভাবে দেখার সুযোগ হয়নি। তবে তাদের মাঝে টেকনিক্যাল স্পিরিটটা বেশী। তিনি প্রতিপক্ষের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশ্বাষ প্রদান করেন।

পাঠকের মতামত

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, বাড়েনি সরবরাহ

পর্যটনের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের সংকট দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ...

টেকনাফে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের মনখালী ও শামলাপুর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে ...

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ: পর্যটক পরিবহনের অনুমতি পায়নি কোনো জাহাজ

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য রুট পারমিট চেয়ে আবেদন করেছে সাতটি জাহাজ। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ...