
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা থেকে জেসমিন আক্তার (২২) নামে এক রোহিঙ্গা নারী পালিয়ে গেছেন। এসময় তার সঙ্গে তার মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৬) ছিল।
শনিবার (০৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সৈয়দ মো. আবদুল আজিম।
তিনি জানান, গত ২ মার্চ গলায় টিউমার নিয়ে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন রোহিঙ্গা ওই নারী। এরপর থেকে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। শনিবার সকালে কর্তব্যরত সেবিকা ও চিকিৎসক ওয়ার্ডে গিয়ে তাদের দেখতে না পেয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। দুপুর পর্যন্ত ওই রোহিঙ্গা নারী ও তার শিশু বাচ্চার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
সূত্রে জানা গেছে, হাতিয়ার ভাসানচরের আশ্রয়ণ ক্লাস্টার নং-২৭, হাউজ নং-ই,৩ বসবাস করা রোহিঙ্গা নারী জেসমিন দীর্ঘদিন ধরে গলায় টিউমার সমস্যা ভুগছিলেন। তার স্বামী সাইফুল ইসলাম। গত ২মার্চ মঙ্গলবার তাকে ভাসানচর থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে তাকে পাহারার জন্য দুইজন নারী ও একজন পুরুষ পুলিশ কনস্টবল দায়িত্বে ছিল।
নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসা বলেন, হাসপাতালে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে বাচ্চাকে নিয়ে ওই নারী কক্ষের বাহিরে যান। এরপর থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।