প্রকাশিত: ১৩/১১/২০২০ ১২:১০ পিএম , আপডেট: ১৩/১১/২০২০ ১২:১০ পিএম

মোঃ আরাফাত সানী, টেকনাফ ::
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতাাধী টেকনাফ হোয়াইক্যং বন রেঞ্জের বন ভূমির অতি সন্নিকটে ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে করাত কল, ইট ভাটাসহ অবৈধ মাছের ঘের ও অসংখ্য অবৈধ স্হাপনা।

সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, শামলা পুর ও হোয়াইক্যং সংযোগ সড়কে পার্শ্বে বন ভূমি
ঘেষে পাশাপাশি ৩টিসহ মোট ৭টি করাত কল ও ৬সহ ৯টি ইট ভাটা বসানো হয়েছে। এই করাত কলে প্রতিনিয়ত চিরানো হচ্ছে পাহাড়ি অবৈধ কাঠ। এ ছাড়া পাহাড়ের পার্শ্বে অসংখ্য অবৈধ মাছের ঘের ও অবৈধ স্হপনা গড়ে উঠেছে। ৯ টি ইট ভাটার মধ্যে ৩ টি দৈংগা কাটা ৩ টি লাতুরি খোলা ও অপর ৩টি হোয়াক্যং রেঞ্জের বন বিভাগের আশেপাশে স্হাপন করা হয়েছে। যা বন বিভাগের প্রায় ৫’শ গজের দুরত্বে। স্হানীয় লোকজন জানান এই ইট ভাটার ইট তৈরির মাটি গুলো পাহাড় কেটে আনা হচ্ছে।

সূত্রে জানায়, বন বিভাগের আইনে বনের ৫ কিঃ মিঃ মধ্যে ইট ভাটা, করাত কল বসানো সপূর্ণ নিষেধ থাকলেও টেকনাফ হোয়াইক্যং এলাকায় বন ভূমিতে প্রতি নিয়ত গড়ে উঠেছে ইট ভাটা ও করাত কল।

এই নিয়ে উক্ত এলাকার সচেতন মহলের মধ্যে বন ও পরিবেশ দপ্তরের আইন নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে বলে এলাকার লোকজনের অভিযোগ। অনেকেই বলেছেন বন বিভাগের আইন কেতাবে থাকলেও কিন্ত গোয়ালে নেই। এ ছাড়া করাত কল ইট ভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া বসানো যায় না এরা ও কিভাবে বন ও পরিবেশের আইন উপেক্ষা করে ইট ভাটা ও করাত কল, বসানোর অনুমতি প্রদান করেছে? স্হানীয় সূত্রে জানায় প্রভাবশালী ও বিত্ত শালী ব্যক্তিরা অবৈধ টাকায় বন বিভাগের মাথার উপর বসে জমি দখল করলেও তাদের প্রতি কোন আইন প্রয়োগ হয় না।

অথচ সাধারণ দরিদ্র লোক জন বন বিভাগের খালি জমির উপর সামান্য একটি পানের বরজ, সবজির ক্ষেত ইত্যাদি করতে গেলে তাদের উপর প্রয়োগ হয় বড় বড় আইন ও নির্যাতন ও নিপীড়ন। এলাকায় লোক জন জানায় হোয়াইক্যং বন বিভাগের জমি যে হারে বেদখলে চলে যাচ্ছে ইহা অব্যাহত থাকলে শূন্যের কোটায় চলে আসবে পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট হবে। এলাকায় নেমে আসবে সাইক্লোন, টর্নেডোর মতো মহা দুর্যোগ।

এ বিষয়ে হোয়াইক্যং বন রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মাতিন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ইতি মধ্যে দুই টি ভেঙে দেওয়া হয়েছে বাকি গুলোর বিষয়ে উর্ধতনমহলে অবগত করা হয়েছে। ইট ভাটার বিষয়ে আমার উর্ধতন কিছুই করার নাই। এ ছাড়া উক্ত করাত কল ও ইট ভাটা আমার আমলে হয়নি। তবে এদের রিরুদ্ধে দূত ব্যবস্হা নিতে কর্তৃপক্ষকে করা হবে।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেলে থাকতে দিলে ব্যবস্থা- সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেলে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বয়স ও পরিচয় যাচাই না করে কক্ষ ভাড়া দিলে সংশ্লিষ্ট মালিক ...

৪ হাজার শিশুর মধ্যে স্কুলে মাত্র ৭২৯, সংকটে সেন্টমার্টিনের শিক্ষা

পর্যটননির্ভর অর্থনীতিতে স্থবিরতা, শিক্ষকসংকট ও দারিদ্র্যের চাপে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনের শিক্ষাব্যবস্থা। বিদ্যালয়ে যাওয়ার ...