প্রকাশিত: ১১/১২/২০১৬ ১০:০৩ পিএম

শামীম ইকবাল চৌধুরী,নাইক্ষ্যংছড়ি::
রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বোমাংখিল কৃষি সেচ প্রকল্পের স্কীম ম্যানেজারের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ফুসে উঠছে এলাকার কৃষক ও জমির মালিক পক্ষ। ইতোমধ্যে স্কীম ম্যানেজার ফরিদ আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অন্তত: ১২৫জন কৃষক ও জমির মালিকগণ রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে সম্প্রতি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কারণ সঠিক মূল্যে যথা সময়ে পানি সরবরাহ না পাওয়ায় উপযুক্ত ফসল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা।

অভিযোগে কৃষক ও জমির মালিকগণ দাবি করেন, স্কীম ম্যানেজার ফরিদ আহমদ চৌধুরী তাঁদের নিকট থেকে অন্য স্কীমের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন। দাবিকৃত টাকা না দিলে পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। জমিদারকে না বলে ওই ম্যানেজার জমিতে চাষ করলেও টাকা দেয় না। চাষের প্রয়োজনীয় সময়ে পানি চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে অপমানিত করেন। নানা হয়রানির হুমকি দেন। বিগত বছর অনেকেই পানি সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে বুরো চাষ করেনি। চলতি মৌসুমে ফরিদ আহমদ চৌধুরী যদি স্কীম ম্যানেজার হিসাবে থাকলে, জমির মালিক পক্ষ ও চাষাগণ বুরো চাষ থেকে মূখ ফিরিয়ে নেবে।

বোমাংখিল গ্রামের একাধিক কৃষক বলেন, কৃষি সেচের জন্য স্কীম স্থাপন করা হলেও ম্যানেজার ফরিদ আহমদ চৌধুরী অতিরিক্ত টাকা পাওয়ায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর তামাক ক্ষেতে পানি সরবরাহ করেন। এতে করে বুরো চাষীগণ সঠিক মূল্য দিলেও প্রয়োজনীয় পানি পায়না।

জমির মালিক আবু হুরাইরা সিকদার ও শাহরান চৌধুরী বলেন, এ সেচ প্রকল্পে কৃষি কাজ করে লোকসান হওয়ায় অনেকেই চাষাবাদ করছে না। ম্যানেজার ফরিদ আহমদ চৌধুরী এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় কৃষকদের ওপর নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। বর্তমানে এলাকার সকল কৃষক ঐক্যবদ্ধভাবে এ স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন। তাঁরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক বোমাংখিল কৃষি সেচ প্রকল্পের স্কীম ম্যানেজার পরিবর্তনের জোর দাবি জানান।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত স্কীম ম্যানেজার ফরিদ আহমদ চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি একাধিকবার মুঠোফোন রিসিভ করেনি। জানতে চাইলে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহজাহান আলি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য কৃষি বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দেখা যাক কি হয়।

পাঠকের মতামত

অপেক্ষার অবসান, ৮ শতাধিক পর্যটক নিয়ে সেন্টমার্টিনের পথে প্রথম জাহাজ

দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল ...

পর্যটন মৌসুমে সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের দাম বাড়ল, বাড়েনি সরবরাহ

পর্যটনের স্বর্গ হিসেবে পরিচিত প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের সংকট দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ...

টেকনাফে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের প্রস্তুতি, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের মনখালী ও শামলাপুর এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে পূর্ববিরোধ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে ...

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ: পর্যটক পরিবহনের অনুমতি পায়নি কোনো জাহাজ

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য রুট পারমিট চেয়ে আবেদন করেছে সাতটি জাহাজ। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ...