প্রকাশিত: ০৮/১০/২০২০ ১:৪৫ পিএম

কক্সবাজারে কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনায় ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

উখিয়া থানার ওসি জানান, ক্যাম্পে এক সপ্তাহে ৮ জন নিহত হয়েছে। সবশেষ ৪ জন নিহতের ঘটনায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি আরও ৫০/৬০ জন। পরে অনেক বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। আশ্রয় শিবিরের ভেতরে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদার ভাগাভাগি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে মুন্না ও আনাস বাহিনীর মধ্যে কয়েকদিন ধরে গোলাগুলি এবং সংঘর্ষ চলছে।

সাধারণ রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, দুইপক্ষে চার শতাধিক সন্ত্রাসী রয়েছে। কুতুপালংসহ আশপাশের কয়েকটি আশ্রয় শিবিরে বসতি আট লাখের বেশি রোহিঙ্গার। এর মধ্যে ১৯৯০ সালে আসা রোহিঙ্গারাও রয়েছে। আগের আসা শরণার্থী গ্রুপের মুন্না বাহিনীর সঙ্গে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২০১৭ সালে নতুন আসা আনাস বাহিনীর বেশ কিছুদিন ধরে থেমে থেমে গোলাগুলি চলছে।

পাঠকের মতামত

স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা

কক্সবাজারের উখিয়ায় পাটুয়ার টেক সৈকতে কাঠের ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের ছয় ...

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নাসরিনের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল

কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের একজন সাভারের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা নাসরিন ...