নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১/০৮/২০২২ ৯:১০ এএম

কক্সবাজার সদরের খুরুশকুলে সফর আলম (৪৭) নামক আসামি গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২০ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে খুরুশকুল ৪ নং ওয়ার্ডের কাউয়ারপাড়া কুতুবজুরি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে ওই এলাকার মৃত ইব্রাহিমের ছেলে।

সফর আলমের বিরুদ্ধে জিআর মামলা নং-৩৫৫/১৬ ও জিআর-৪১৩/১৯সহ আরো কয়েকটি মামলা আছে বলে জানা গেছে।

নন জিআর মামলা নং-৪১৩ মূলে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিযানে নেতৃত্বদাতা সদর মডেল থানা পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রিয়াজ উদ্দিন।

এদিকে, সফর আলমকে গ্রেফতারের জেরে রহমত উল্লাহ নামক স্থানীয় এক ব্যক্তির বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা ৯৯৯-এ ফোন করলে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন উপপরিদর্শক (এসআই) এসআই আতিকুল ইসলাম ভুইয়ার নেতৃত্বে সদর থানার একদল পুলিশ।

আসামি গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে দুইটি পক্ষ উত্তেজিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন এসআই আতিকুল ইসলাম ভুইয়া।

তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। উভয়পক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

ঘটনার বিস্তারিত তথ্য নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন।

তিনি জানান, আদালতের পরোয়ানামূলে একজন আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে কি হয়েছে, সে সম্পর্কে তারা পুরোপুরি অবগত নন। টহল টিম থানায় পৌঁছলে বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, মোস্তাক মাস্টার হত্যাসহ ডজনাধিক মামলার আসামি মনিরুল হকের নেতৃত্বে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় নুরুল আলম, জামাই কালু, ছৈয়দ আলম, রমজান, নুরুল আলমসহ ১০/১৫ জন লোক ঘটনায় জড়িত। গ্রেফতারকৃত আসামি সফর আলম অভিযুক্ত মনিরুল হকের মামা।

আসামি গ্রেফতারে পুলিশকে সহযোগিতার অভিযোগ তুলে রহমত উল্লাহর বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

রহমত উল্লাহ অভিযোগ করেন, আসামি গ্রেফতারের পরে বসতবাড়ির ঘেরাবেড়াসহ ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। সংঘবদ্ধ হামলায় ছোট ভাই শহিদুল্লাহর স্ত্রীর এলমন নাহার আহত হন। তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ শনিবার রাত সাড়ে ১১টার তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় জড়িত কেউ গ্রেফতার হয়নি। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলা ও ভাঙচুরের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছে চিকিৎসক-নার্স

কক্সবাজারের কক্স ন্যাশনাল হসপিটালে প্রসূতির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ...

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার সাবান

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। ...

ইনানীতে অগ্নিকান্ড : ১০ মরদেহ শনাক্ত হলেও এখনো নিখোঁজ শিক্ষিকা

অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের পর স্বজনদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রিসোর্টে অবস্থানকারী পর্যটকদের মধ্যে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন মোট ...

অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই হিমছড়িতে ইকো রিসোর্টের নামে হোটেল নির্মাণ

পর্যটকের ঢল আছে, কিন্তু নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতের ব্যবস্থা নেই– দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজারের চিত্র অনেকটা ...

ইনানীতে বাৎসরিক এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং পরিদর্শনে সেনাপ্রধান

কক্সবাজারের ইনানীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত বাৎসরিক এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ...