প্রকাশিত: ২৭/০২/২০১৯ ৭:৪৩ এএম , আপডেট: ২৭/০২/২০১৯ ৮:০৯ এএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক মেজরের স্ত্রী মঙ্গলবার উত্তর রাখাইনে নিজ বাড়িতে এক বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন।

কমান্ডার ইন চিফের কার্যালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ মিন তুন জানান, নিহতের নাম মোহ জ। তার স্বামী মেজর কিঅ সোয়ারকে নেইপিদং থেকে ট্রান্সফার করে রাখাইনের বুথিডংয়ে পাঠানো হয়েছিল।

ওই দম্পতি সোমবার নেইপিদং থেকে বুথিডংয়ে যাওয়ার সময় তাদের মালামাল একটি গাড়িতে নেয়া হয় এবং তারা নিজে আরেকটি গাড়িতে করে সেখানে যান। বুথিডং যাওয়ার পথে তাদের জিনিসপত্র বোঝাই ট্রাকটি দু’জন লোক থামায় এবং সাদা পোশাকে থাকা আরও ছয় জন গাড়িটি সার্চ করেন।

সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ধারণা করছেন, ওই লোকগুলোই গোপনে তাদের মালামালের মধ্যে একই বিস্ফোরক যন্ত্র পেতে রাখে।

মেজরের নতুন বাড়িতে পৌঁছানোর পর কর্মচারীরা কোনও দুর্ঘটনা ছাড়াই সেগুলো ট্রাক থেকে নামান। তার স্ত্রী মালামাল পরীক্ষার সময় বিস্ফোরক যন্ত্রটি বিস্ফোরিত হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

‘বোমাটি বিস্ফোরিত হয় বাড়িতে, যখন মেজর কিঅ সোয়ার অফিসে ছিলেন,’ বলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ মিন তুন।

নিউজ ওয়েবসাইট ইরাওয়াড্ডি জানায়, ফেসবুকে, বিশেষ করে সেনাবাহিনীর সমর্থকদের মধ্যে ঘটনাটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। হান নিয়েন ওউ নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী, ওই দম্পতির বিয়ের একটি ছবির সঙ্গে চিঠি-বোমার দু’টি স্টক ছবি পোস্ট করেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি দাবী করেন, ওই চিঠি বোমাগুলো দিয়েই হামলা চালানো হয়েছে এবং আরাকান আর্মি (এএ) এর জন্য দায়ী। তবে এই দাবীর স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে বুথিডংয়ের স্থানীয়রা এবং আরাকান আর্মির সমর্থকরা বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টে দাবী করেন, মিলিটারি কম্পাউন্ডে অভ্যন্তরীণ এক সংঘর্ষের সময় স্বামী-স্ত্রী দু’জনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

ইরাওয়াড্ডি এসব দাবীর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি বা এএ’র মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer