প্রকাশিত: ২৮/১০/২০১৯ ৭:৩৫ পিএম

চলতি বছরের মতো আগামী বছরও (২০২০ সাল) সাধারণ ও নির্বাহী আদেশে ছুটি মিলিয়ে মোট ২২ দিন ছুটি থাকবে। সরকার প্রস্তাবিত সাধারণ ছুটির অর্ধেকই পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার।

সোমবার তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘২০২০ খ্রিষ্টাব্দের ছুটির তালিকা’ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও বৈঠকে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন অনুমোদন ও ১৯৭২ সালের মন্ত্রিসভা বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, ‘জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘বরাবরের মত এবারও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিক ছুটি ৫ দিন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ৮ দিন, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য ৮ দিন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য ৫ দিন রাখা হয়েছে। এছাড়াও পার্বত্য এলাকার জন্য বিশেষ করে ক্ষদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য দুইদিন (বৈশাখে বৈসাবি ও অন্য অনুষ্ঠানগুলো) ছুটি থাকছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সাধারণ ছুটির ১৪ দিনের মধ্যে ৭ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। নির্বাহী আদেশে ৮ দিন ছুটির মধ্যে একদিন সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে পড়েছে।’

উল্লেখ্য, চলতি বছর ২০১৯ সালেও মোট ২২ দিন সরকারি ছুটি ছিল। যার মধ্যে তিন দিনের ছুটি পড়েছিল সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে। আর ২০১৮ সালে ২২ দিনে সাত দিন, ২০১৭ সালে ১০ দিন এবং ২০১৬ সালে চার দিনের ছুটি পড়েছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিনে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১৯৭২ সালের মন্ত্রিসভা বৈঠকের কার্যবিবরণী: বৈঠকের শুরুতেই ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের ৩ কপি কার্যবিবরণী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হয়। তৎকালীন বৈঠকগুলোর মূল ইংরেজি থেকে স্ক্যান করা এক কপি, এর নতুন ইংরেজি কপি এবং বাংলা অনুবাদ রয়েছে। এছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মকাণ্ডের চেক-লিস্টের একটি কপিও প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আইসিটি বিভাগ প্রণীত কৌশলপত্রের একটি কপিও প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও এ বিভাগের সিনিয়র সচিব কপিটি প্রণয়ন করেছেন। সব পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা অনুসারে এই কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার অনুসরণে এই কর্মপরিকল্পনা ও পরবর্তী কৌশল প্রণীত হয়।

প্রতিমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ-অগ্রগতির ১০ বছর’ শীর্ষক একটি প্রকাশনাও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

পাঠকের মতামত

গুতেরেসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু ইস্যুতে জোর

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার ইস্যু, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং বৈশ্বিক শান্তি ও ...

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ দফারোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য সময়োপযোগী প্রস্তাবনা : শাহজাহান চৌধুরী

দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিপুল উপস্থিতির কারণে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে জনজীবনে নানা ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। ...

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘে তারেক রহমানের ৫ প্রস্তাব

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক ...

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা তারেক রহমানের

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে ...

নবম পে স্কেলের বাইরে যারা

সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত কয়েক শ্রেণির কর্মচারী ও শ্রমিক নবম জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আসছেন না। ...