ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ০৩/০৫/২০২৬ ৯:৪৪ পিএম

কক্সবাজারে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ মাস বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জেলায় হামের প্রকোপ শুরুর পর এই প্রথম কোনো রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। এ নিয়ে গত ২৯ মার্চ থেকে পরবর্তী ১ মাস ৫ দিনে জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২ মে) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুর ফাহাদ নামের ওই শিশুটি মারা যায়।

রোববার (৩ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. শান্তনু ঘোষ। মৃত নুর ফাহাদ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা নুর ফয়সালের ছেলে।

এর আগে জেলায় যে ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, তারা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা। এর মধ্যে রামু উপজেলায় ৪ জন, কক্সবাজার সদর উপজেলায় ২ জন এবং কক্সবাজার পৌরসভা, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও উখিয়ায় ১ জন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

চিকিৎসক শান্তনু ঘোষ জানান, শনিবার দুপুরে জ্বর, কাশি ও নিউমোনিয়াসহ জটিল উপসর্গ নিয়ে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন অভিভাবকরা। ভর্তির পরপরই তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় ওই দিন সন্ধ্যায়ই তার মৃত্যু হয়। পরীক্ষার ফলাফল হাতে না আসায় শিশুটি নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৯ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৪ জন। বর্তমানে জেলার আটটি হাসপাতালে ১৩২ জন শিশু একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন। গত ২৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ৩৪৭ জন শিশু এ রোগের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ নজরদারি ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিচালকের স্বেচ্ছাচারিতা, স্থানীয় কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত অন্যতম বেসরকারি সংস্থা ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ (জিকে)-এর ভারপ্রাপ্ত ...

কক্সবাজারে হচ্ছে পর্যটন হাব,আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের

পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন হাবে রূপান্তরের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে সমন্বিত ...
Single Page Footer