আকামা নবায়নে নিয়োগকর্তা পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা সৌদিতে আকামা নবায়নের সময় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন। এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। সৌদি প্রতিনিধিদল জানিয়েছে, যেসব কর্মী পুরোনো কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন না, তারা চাইলে নিয়ম মেনে কফিল পরিবর্তন করে আকামা নবায়ন করতে পারবেন।

তিনি আরো বলেন, ‘সৌদি আরবে ২০২৭ সালে এএফসি এশিয়ান কাপ, ২০৩০ সালে ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং ২০৩৪ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করতে তাদের প্রচুর লোকবলের প্রয়োজন হবে। তারা জানিয়েছে, প্রথাগত সাধারণ শ্রমিকের পাশাপাশি কারিগরি ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল—বিশেষ করে আইটি, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), রোবোটিক্স, চিকিৎসক ও প্রকৌশলী খাতে তাদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দিতে চায়।
বৈঠকে সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার বিষয়ক ডেপুটি মিনিস্টার ড. মোহাম্মদ এ এম আলশামেরি, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ।

পাঠকের মতামত