প্রকাশিত: ০১/০৭/২০২১ ৯:১০ এএম


কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের হিমছড়ি পয়েন্টে বালিয়াড়িতে ভেসে উঠা সেই তিমির কঙ্কাল আবারও সৈকতেই পুঁতে ফেলা হয়েছে। কঙ্কালগুলো এখনও সংরক্ষনের মত অবস্থায় না আসায় এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বনবিভাগের লোকজন স্কেভেটরের সহায়তায় তিমির দেহাবশেষ মাটিচাপা দেয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সৈকতের হিমছড়ি পয়েন্টে গর্ত খুঁড়ে তিমির দেহাবশেষ মাটিচাপা দেওয়া হচ্ছে। এসময় কথা হয় বন বিভাগের কলাতলী বীট কর্মকর্তা মো. সোহেল হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, গত রোববার প্রবল জোয়ারের কারনে বালিমাটি সরে গিয়ে তিমির হাঁড়গুলো ভেসে উঠে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তাসহ বৈঠকে বসে হাড়গুলো আবারও মাটিচাপা দেওয়া সিদ্ধান্ত হয়। গতকালই সেটি করার কথা থাকলেও গাড়ি না পাওয়ায় আমরা সেটা করতে পারিনি। আজ গাড়ি পেয়েই আমরা হাড়গুলো যোগাড় করে মাটিচাপা দিচ্ছি।
রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রনয় চাকমা বলেন, তিমির কঙ্কালগুলো খননও সংরক্ষনের পর্যায়ে আসেনি। সংরক্ষণের পর্যায়ে আসতে আরও ৩ মাস মতো সময় লাগতে পারে। তাই মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় আমরা পরিকল্পনা করছি কঙ্কালের কিছু অংশ ওশানোগ্রাফিকে দেওয়ার। বাকিটা আমরা হিমছড়ি একটা ছোট ঘর করে সংরক্ষনের উদ্যোগ নিতে পারি। যাতে সাধারণ মানুষ সেটি দেখার সুযোগ পায়।
প্রসঙ্গত, গত ৯ এপ্রিল হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে ও পরদিন ১০ এপ্রিল দরিয়ানগর সমুদ্র সৈকতে দু’টি মৃত তিমি ভেসে আসে। পরে সেগুলো সৈকতেই গর্ত খুঁড়ে মাটিচাপা দেওয়া হয়

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি,জাল কাগজে যন্ত্রাংশ এনে তৈরীকৃত ৩ টি বিলাসবহুল গাড়ী জব্দ

কক্সবাজারে শুল্ক ফাঁকি ও জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ এনে তৈরিকৃত পূর্ণাঙ্গ তিনটি বিলাসবহুল ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি, শিশু নিহত, নারীসহ আহত ৬

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসীদের গুলিতে বিদ্ধ হয়ে ...
Single Page Footer