ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ০৩/০৬/২০২৪ ৯:২৮ এএম

পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা সেন্টমার্টিন দ্বীপের জমিতে পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদের নামে থাকা সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। জানা গেছে, দ্বীপের দক্ষিণ পাড়ায় রাস্তার পাশে তার নামে এক একর ৭৫ শতাংশ জমি রয়েছে। সেটি বড় একটি ফটক দিয়ে কাঁটাতারের ঘেরা দেওয়া হয়। জমিতে পাথরের স্তূপও পড়ে আছে। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর সাইনবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, বেনজীরের জমিগুলো দেখাশোনা করেন সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আবদুর রহমান। এ বিষয়ে আবদুর রহমানকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

সম্প্রতি দুর্নীতির অভিযোগে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। স্থানীয় ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, সেন্টমার্টিনের জিনজিরা দ্বীপ মৌজার ১০৩০ নম্বর খতিয়ানের ১৭৮৬ দাগে ৮.২৫ শতাংশ, একই দাগে ১৪.১৪ শতাংশ, ৪৫ শতাংশ, ৩৫ শতাংশ ও ৪০ শতাংশ জমি আছে বেনজীরের নিজ নামে। এ ছাড়া ১৭২৫ দাগে আছে ২২ শতাংশ জমি। জমির নামজারিতে মালিকের নাম দেওয়া হয়েছে হারুনুর রশিদের পুত্র বেনজীর আহমেদ। ঠিকানা ব্যবহার করা হয় গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার হোল্ডিং নম্বর ১৬৬। তার জমির খতিয়ানের নামজারি ও জমাভাগ মামলা নম্বর ছিল ৩৫৫ (আই)/২০১৪-১৫। ১২/২/২০১৫ তারিখের আদেশ মতে খতিয়ানটি সৃজন করা হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়।

জমিটির বিক্রেতা স্থানীয় মৌলভী আব্দুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা। খতিয়ানটিতে বেনজীরের মোট জমির পরিমাণ এক একর ৬৮.২৫ শতাংশ।

জানা গেছে, স্থানীয়রা জমিটি ‘বেনজীর স্যারের জমি’ হিসেবেই চেনেন। জমির সীমানা রক্ষার জন্য কোরাল পাথর তুলে এনে স্তূপ করে রাখা হয়। পাশাপাশি কংক্রিটের পিলার দিয়ে জমির চারদিকে সীমানা দেওয়া হয়। বানানো হয়েছে বড় একটি গেট, যা ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়াইসিএ আইন ১৯৯৫, বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ আইন এবং পরিবেশ আইনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

সেন্টমার্টিনে বেনজীরের জমির বিষয়ে জানতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ সাফফাত আলী বলেন, বেনজীর ২০১৫ সালে দ্বীপে জমি কিনেছেন। সে সময় জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়েছিলেন কিনা সেটা এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। তবে বতর্মানে দ্বীপে জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া জমি বেচাকেনা বন্ধ রয়েছে।

পাঠকের মতামত

টিউবওয়েল নাকি ফটোসেশন? কুতুপালংয়ে ‘হেফজু সিন্ডিকেট’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহাবের বড় ছেলে হেফজু রহমান ও দেলোয়ার-এর বিরুদ্ধে ...

অচল কক্সবাজার সৈকতের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স, ঝুঁকিতে পর্যটকদের জরুরি সেবা

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে প্রতিদিন ভিড় করেন হাজারো পর্যটক। নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ সব বয়সী মানুষের ...
Single Page Footer