প্রকাশিত: ২৭/০৪/২০১৭ ২:৫৯ পিএম , আপডেট: ২৭/০৪/২০১৭ ৩:১০ পিএম

নিউজ ডেস্ক;;

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। এক্ষেত্রে চীনের স্বার্থ জড়িত থাকলেও রোহিঙ্গার মত দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা এমন ইস্যু নিষ্পত্তির প্রস্তাব বাংলাদেশের গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করেন তারা।সম্প্রতি চীনের বিশেষ দূত সান গুজিয়াং তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসে গত মঙ্গলবার পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কিছু না জানালেও মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার ও বাংলাদেশকে কূটনৈতিক সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে চীন। দেশটির এমন প্রস্তাব বাংলাদেশ বিবেচনা করছে বলেও রয়টার্সের খবরে জানানো হয়।কেবল বাংলাদেশ কিংবা মিয়ানমারই নয় এই উদ্যোগ সফল হলে তার সুফল পাবে চীনও। এই অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বজায় রাখা, আঞ্চলিক রাজনীতি, আর চীনের অর্থনৈতিক স্বার্থরক্ষায় বিভিন্ন ইস্যু বিবেচনা করেই চীন এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। চীনের এই এগিয়ে আসার পিছনে ভারতের সঙ্গে তাদের শীতল সম্পর্কের একটি যোগসূত্র থাকতে পারেও বলে মনে করেন তারা।ঢাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ অধ্যাপক আমেনা মহসিন বলেন, ‘চীনের স্বার্থে তারা এটি করছে। তাদের যে পলিসি আছে ওয়ান রোড, ওয়ান বেল্ট সেগুলো স্থিতিশীল করার জন্য তাদের একটি প্রতিবেশী দরকার। আর এই জন্য ’সাবেক কূটনীতিক মেজর (অব.) মো. এমদাদুল ইসলাম বলে, ‘চায়না যদি বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করে দিতে পারে তাহলে চায়না সব দিক থেকে এগিয়ে যাবে।’দীর্ঘ দিন ধরে গলার কাঁটা হয়ে থাকা এই সমস্যাটির ইস্যু নিষ্পত্তির জন্য চীনের প্রস্তাবটি বাংলাদেশের লুফে নেয়া উচিত বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। মিয়ানমারের উপর চীনের প্রভাব থাকায় এক্ষেত্রে তাদের পক্ষে ভূমিকা রাখা সহজ হতে পারে বলেও মনে করেন তারা।মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে জীবন বাঁচাতে গেলো বছর ৬৯ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

পাঠকের মতামত

স্বাভাবিক পথে সেন্টমার্টিনে যাচ্ছে খাদ্যপণ্য, টেকনাফে ফিরছে যাত্রী

অবশেষে স্বাভাবিক হচ্ছে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে নৌযান চলাচল। দীর্ঘ ৩৩ দিন পর টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে যাতায়াত করছে ...