
ডেস্ক রিপোর্ট::
এটি সর্বজন স্বীকৃত রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান মিয়ানমারের কাছেই আছে। শুধু বাংলাদেশে নয় মিয়ানমার যেখানে এ জনগোষ্ঠীর সংকট সৃষ্টি করেছে সেখানে কানাডা কাজ করতে আগ্রহী।
বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার বেনোই প্রেফনটেইন বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস-বিস) মিলনায়তনে ডিক্যাব টকে এসব কথা বলেন।
কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন ( ডিক্যাব) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন চায় কানাডা। কানাডা সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার কারণে বাংলাদেশে তার মেয়াদ আরো এক বছর বাড়িয়েছে। রোহিঙ্গা নারীদের সহায়তা করতে পারলে এ সমস্যা সমাধান আরো সহজ হবে।
হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ-কানাডা সম্পর্ক দাড়িয়ে আছে গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার, বহুমত ও মত প্রকাশে স্বাধীনতার ওপর। বাংলাদেশ ও কানাডা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যের অংশীদার। এজন্য আমরা বাংলাদেশকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকি। বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় বেশ কিছু খাত রয়েছে। কানাডার অনেক ব্যবসায়ীর এখানে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে হাইকমিশন কাজ করছে। তাইতো কানাডার ব্যবসায়ীরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে আগের চেয়ে আরও বেশি সংখ্যায় বাংলাদেশে আসছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কানাডা থেকে হেলিকপ্টার ও প্লেন কিনতে পারে। বাংলাদেশে এখনও বিদ্যুতের সংকট রয়েছে। দক্ষ জনশক্তি একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা। এখানে কানাডা সরকার একজন বিজনেস কমিশনার নিয়োগ দিয়েছে।
অন্যদিকে কয়েক বছরে কানাডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ডাবল গিয়েছেন। প্রায় ছয় হাজার। তবে এ সংখ্যা ভারতের চেয়ে অনেক কম। কানাডায় একটা স্টুডেন্ট এলামনাই এসোসিয়েশান দরকার। এটি কানাডার লোকদের বাংলাদেশ নিয়ে ভালো ধারণা দেবে।
বেনোই প্রেফনটেইন বলেন, কানাডা চায় বাংলাদেশে জেন্ডার বৈষম্য রোধ হোক। কিছু দিনের মধ্যে ভ্যানকুভারে একটি নারী বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, তাতে বাংলাদেশ থেকে ইয়াং লিডার অংশ নেবে।
সন্ত্রাসবাদ দমনে কানাডা বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করে যাবে বলে জানান তিনি।
ডিক্যাব টকে সংগঠনের সভাপতি রাহীদ এজাজ ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব বক্তব্য রাখেন।

পাঠকের মতামত