উখিয়া নিউজ ডটকম
প্রকাশিত: ১৩/০৮/২০২৬ ১২:২১ এএম

কক্সবাজারের টেকনাফের চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২১-এ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিন এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ১৬ এপিবিএন।

বুধবার (১২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে ক্যাম্পের ই/০১ ব্লকে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন—ক্যাম্প-২১-এর ই/০১ ব্লকের বাসিন্দা মো. হোসেন (২৭), মো. কাশেম (২৫) ও মো. রাশেদ ওরফে রিয়াজ (১৯)।

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ জুলাই রাতে ক্যাম্প-২১-এর ই/০১ ব্লকের ব্লক মাঝি মো. রফিকের বসতঘরে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রায় ৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৫ হাজার টাকা চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১২ আগস্ট টেকনাফ মডেল থানায় দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি নং-৫০ এবং জিআর নং-৬৬১।

মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্য-উপাত্ত যাচাই এবং স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে চাকমারকুল ১৬ এপিবিএন ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল বুধবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. হোসেন আব্দুস ছালামের ছেলে, মো. কাশেম মৃত আবুল হোসেনের ছেলে এবং মো. রাশেদ ওরফে রিয়াজ রশিদ উল্লাহর ছেলে। তারা সবাই ক্যাম্প-২১, চাকমারকুলের বাসিন্দা।

পরে গ্রেপ্তার তিনজনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কাউছার সিকদার বলেন, “চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় তিন আসামিকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পাঠকের মতামত

৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কে নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রায় দুই বছর পর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ ...

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধ ঠেকাতে দুটি সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ...