প্রকাশিত: ২২/০২/২০২০ ৯:২৮ এএম

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সার্বিক চাহিদা এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০২০ সালের জন্যে ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক সহায়তা চাওয়া হবে বলে ঢাকায় প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে। মার্চে ওই সহায়তা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ বছর যে অর্থ চাওয়া হবে তা ২০১৮ এবং ২০১৯ এর চাইতে কম।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সার্বিক চাহিদা এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০২০ সালের জন্যে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্র্রাপ্তির বৈঠকে উপস্থাপনের লক্ষ্যে আর্থিক প্রয়োজনীয়তার হিসেব চূড়ান্ত করেছে জাতিসংঘের সংস্থাসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট অন্য সংস্থাগুলো। ২০২০ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ১৩ লাখ মানুষের জন্য এক্ষেত্রে মোট প্রয়োজন নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭৭ মিলিয়ন ডলার।

আগামী মার্চে আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রাপ্তির বৈঠক আহ্বান করে এই অর্থ সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে বলে ঢাকায় প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে। চলতি বছরের জন্য যে অর্থ সহায়তা চাওয়া হবে তা বিগত ২ বছরের তুলনায় কম। ২০১৯ সালের জন্য চাওয়া হয়েছিল ৯২০ মিলিয়ন ডলার, আর পাওয়া গেছে এপর্যন্ত ৬৭ শতাংশ। ২০১৮ সালে চাওয়া হয়েছিল ৯৫১ মিলিয়ন ডলার, পাওয়া গিয়েছিল ৬৯ শতাংশ অর্থ। চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে খাদ্য নিরাপত্তা খাতে ২৫৪ মিলিয়ন ডলার।
এদিকে, টিআইবিসহ বিভিন্ন সংস্থা রোহিঙ্গা সংকট ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে জাতিসংঘসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আর্থিক স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছে।

পাঠকের মতামত

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস-প্রাইভেট কারের সংঘর্ষে আহত ৫

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশে যাত্রীবাহী মারসা বাসের সঙ্গে একটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ পাঁচজন গুরুতর ...

সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি চলছে। বৃহস্পতিবার (২২ ...

কক্সবাজারে পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে ‘হত্যা’, বিচার চেয়ে থানায় মালিক

নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা পোষা বিড়ালকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ...

‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করছে যুক্তরাজ্য’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মর্যাদার সঙ্গে ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ...