প্রকাশিত: ২৭/০১/২০১৭ ৩:৩৮ এএম , আপডেট: ২৭/০১/২০১৭ ৪:১০ এএম

উখিয়া নিউজ ডেস্ক : রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের দাবিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে আধাবেলা হরতাল চলছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে হরতাল সমর্থকরা শাহবাগে মিছিল বের করে। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিতে গেলে তাদের ওপর টিয়ারশেল ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।
এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এক পর্যায়ে শাহবাগ ছেড়ে হরতাল সমর্থকরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির দিকে পিছু হটে।
এসময় ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি লাকি আক্তার আহত হয়েছে। এছাড়া উম্মে হাবিবা বেঞ্জির, কাকন ও নাসির নামে তিন ব্যাক্তি আহত হয়েছেন।
ছাত্র ইউনিয়নের জেলা বিষয়ক সম্পাদক অভি এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ংঅপরদিকে, বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ভ্যানের একটি কাচ ভেঙে দেয়। মিছিলে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক জিএম জিলানীসহ বিভিন্ন বাম ছাত্র সংগঠনের নেতারা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন।
লাকি আক্তার দাবি করেছেন, পুলিশ মিছিলে রাবার বুলেট ছুড়েছে। এতে ৩০- ৪০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
মিছিলে বাধা দেয়া প্রসঙ্গে শাহবাগ থানার ওসি আবু বকর সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘শাহবাগের দিকে আসার পথে মিছিলটিকে বাধা দেয়া হয়েছে।’
এ সময় টিয়ার শেল নিক্ষেপের কথাও বলেন তিনি। তবে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়েছে কিনা, এ বিষয়ে ওসি কিছু বলেননি।
প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ সবাইকে হরতাল পালনের আহ্বান জানান।
এতে বলা হয়, গত ৭ বছর ধরে সুন্দরবনবিনাশী রামপাল কয়লা প্রকল্প বাতিলসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যা সমাধানের জন্য ৭ দফা বাস্তবায়নে আমরা লংমার্চ, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, মহাসমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু সরকার এই প্রকল্প বাতিল না করে উল্টো সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে হরতাল পালনের কর্মসূচি দিয়েছি।

পাঠকের মতামত

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা সীমান্তরক্ষীদের নিতে জাহাজ আসবে এ সপ্তাহেই

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসা দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) সদস্যদের ফের ...