প্রকাশিত: ০৬/০৮/২০২০ ৪:৩৭ পিএম

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী :
মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলার অপর ৮আসামি স্যারেন্ডার করার জন্য আদালতে এসেছেন। তারা এখন কোর্ট ইন্সপেক্টরের হেফাজতে কক্সবাজার কোর্ট হাজত খানায় রয়েছে। টেকনাফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাং হেলাল উদ্দিনের আদালতে সারেন্ডার করার জন্য জামিন আবেদন দিয়েছেন ৮ আসামির নিয়োজিত আইনজীবী। বিকেলে এজলাসে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাং হেলাল উদ্দিন আদালতে বসলেই সারেন্ডার কৃত আসামীদের জামিন আবেদন শুনানি হবে এমনটি জানিয়েছেন, আদালতের বেঞ্চ সহকারী আনেয়ারুল ইসলাম।

যারা সেরেন্ডার করার জন্য কোর্ট হাজতখানায় রয়েছেন তারা হলেন, বাহারছরা শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী (৩১), এসআই নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মোঃ মোস্তফা।

তারা গত ২আগস্ট থেকে পুলিশ লাইনে ছিলো। গত ৩১ আগস্ট মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ নিহত হওয়ার পরদিন এ ৮ জন সহ ২১ জনকে পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়।
ইতিমধ্যে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি ও মামলার ২ নম্বর আসামী প্রদীপ কুমার দাশকে চট্রগ্রাম পুলিশ কক্সবাজার আদালতে সারেন্ডার কর হয়েছে।

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলাটি টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেের আদালতের আদেশ মতে, টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত একটি হত্যা মামলা হিসাবে ৫ আগস্ট রাত সাড়ে ১০ টার দিকে রুজু করা হয়। যার নম্বর টেকনাফ থানা : ৯/২০২০, যাহার সিআর মামলা নম্বর : ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)। দন্ডবিধি ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাটি রুজু করার সাথে সাথে মামলার এজাহারভুক্ত সকল আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিদের মধ্য থেকে মামলার ২নম্বর আসামী-টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ (৪৮) চট্টগ্রাম পুলিশের হেফাজতে থেকে কক্সবাজারে সারেন্ডার করতে আসছেন। প্রদীপ কুমার দাশ গত ৪ আগস্ট থেকে অসুস্থ হয়ে ছুটিতে যান। তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনটি তখন থেকে বন্ধ ছিলো।

এদিকে, আদালতের নির্দেশে টেকনাফ থানায় রুজু হওয়া মামলাটি তদন্তের জন্য র‍্যাব-১৫ এর কাছে বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট সকালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি এবিএমএস দোহা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ অনুযায়ী টেকনাফ মডেল থানা কর্তৃপক্ষ এ মামলার সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। অপরদিকে, র‍্যাব-১৫ থেকে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে মামলার সার্বিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের বড়বোন ও মোঃ শামসুজ্জামানের সহধর্মিণী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস (৪২) বাদী হয়ে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ আগস্ট সকালে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের সঙ্গী ও ৩১ জুলাই এর ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাত সহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে পোষা বিড়ালকে পিটিয়ে ‘হত্যা’, বিচার চেয়ে থানায় মালিক

নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা পোষা বিড়ালকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ...

‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কাজ করছে যুক্তরাজ্য’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মর্যাদার সঙ্গে ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ...

স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, ইনানী থেকে বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা

কক্সবাজারের উখিয়ায় পাটুয়ার টেক সৈকতে কাঠের ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের ছয় ...

কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নাসরিনের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল

কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের একজন সাভারের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষিকা নাসরিন ...