প্রকাশিত: ২৩/০৬/২০১৬ ৯:১৪ এএম

13394012_503402199784473_3217189966641544152_n বেলাল আজাদ॥

মামলার কজলিষ্টঃ
আমরা মামলা-মোকদ্দমার বাদী/বিবাদীরা আদালতে, আইনজীবীদের টেবিলে প্রায়শঃই একটি লাল মলাটের খাতা দেখতে পাই, এটিই ঐ আদালতের মামলার কজলিষ্ট। কজলিষ্টে সংশ্লিষ্ট আদালতে বিচারাধীন মামলাগুলোর নং, আগামী ধার্য্য তারিখ, মামলার পর্যায়/আদেশ/রায় ও বাদী-বিবাদীর নাম লেখা থাকে। বাংলাদেশের মহামান্য সূপ্রীমকোর্ট-হাইকোর্ট থেকে শুরু করে ট্রাইব্যূনালে, জজ/ম্যাজিষ্ট্রেট সহ প্রত্যেকটি আদালতে একই আদলের এই ‘মামলার কজলিষ্ট’ আছে। এই মামলার কজলিষ্ট সর্ব সাধারণের জন্য উন্মূক্ত। এই কজলিষ্ট মহামান্য হাইকোর্টের অধীনে সরকারী মূদ্রণালয় থেকে মূদ্রিত। যে কোন মামলার যে কোন বাদী-বিবাদী আদালতে থাকা মামলার কজলিষ্ট দেখে নিজের মামলার নং, বিচারের পর্যায় ও পরবর্তী ধার্য্য তারিখ জেনে নিতে পারেন॥

মামলার রি-কলঃ
ফৌজদারী মামলায় আসামী জামিনে মুক্তি অথবা
মামলার দায় হইতে অব্যাহতি বা খালাসপ্রাপ্ত হইলে,
সংশ্লিষ্ট আদালতের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যথা- বিজ্ঞ বিচারক/ ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা বেঞ্চ সহকারী, অফিস সহকারী, স্টেনোগ্রাফার, সেরেস্তাদার, নাজির,
সিএসআই অথবা জিআরও কর্তৃক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কিংবা
দায়িত্বশীল অফিসার বরাবর প্রেরিত পত্র। মামলার আসামীর জন্য থানায় গ্রেফতারী পরোয়ানা বা সাজা পরোয়ানা
অথবা অন্য কোন প্রসেসে জারী করা থাকিলে এবং ঐ আসামী কথিক মামলায় জামিন/ অব্যাহতি/ খালাস প্রাপ্ত হলে, যে একটি পত্র বা পরোয়ানা থানার ওসি বরাবরে প্রেরণ করা হয়, তাহা “রি-কল” নামেই পরিচিত।
“মামলার রি-কল” বা পরোয়ানা ফেরৎ পত্রে আদালতের নাম, মামলা নং,
ধারা, জামিনপ্রাপ্ত আসামীর নাম-
ঠিকানা, জামিনের তারিখ, আদালতের সীল মোহর ও
দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সীল-স্বাক্ষর দেয়া থাকে॥
বেলাল আজাদঃ ফ্রি-ল্যান্স সংবাদকর্মী ও প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশের আইন কানুন।

পাঠকের মতামত

নতুন রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকানোই যখন বড় চ্যালেঞ্জ!

মিয়ানমারের তিনটি প্রধান এথনিক রেজিস্ট্যান্ট গ্রুপ—তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ), মিয়ানমার ন্যাশনাল এলায়েন্স (এমএমডিএ) এবং ...