প্রকাশিত: ১১/০১/২০২০ ১০:৪৫ এএম

গত ৮ জানুয়ারি উখিয়া সংবাদ নামক অন লাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত উখিয়ার ইনানীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মুক্তিযোদ্ধার জায়গা জবরদখলের অভিযোগ ও স্থানীয় পত্রিকায় একই শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় উক্ত সংবাদের জোর প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সংবাদের বর্নিত অনুসারে মফজল আহমদ নামক কোন ব্যক্তির জায়গা জবর দখলের কোন ঘটনা ঘটেনি। নুরুল আমিন নামক জনৈক ভূমিদস্যু মুক্তিযুদ্ধাকে অপব্যবহার করে আর্থিকভাবে ফায়দা লুটার জন্য এহেন মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।
বাস্তব ঘটনা হচ্ছে উখিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার বার এসোসিয়েশনের সাবেক ৪ বারের সভাপতি এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরী গত১৪/৭/২০০৫ সালে ফাতেমা খাতুন গং এর নিকট হতে ১৪৫৭ রেজিঃযুক্ত মূলে ২ একর জায়গা ক্রয় করে। উক্ত জমি তার নামে বি এস খতিয়ান সূজিত হয়। যার
সৃজিত খতিয়ান নম্বর হচ্ছে ৪৮৭৮। সেই থেকে এডভোকেট শাহ জালাল চৌধুরী শান্তিপূর্ণভাবে ক্রয় কৃত জায়গা ভোগ দখল করে আসতেছে।
এদিকে ইনানী এলাকার রশিদ বলির ছেলে নুরুল আমিন ও আব্দুস সালাম গং গত ২৮ ডিসেম্বর ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ও লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট শাহজাহান চৌধুরী বাদী হয়ে গত ৬ জানুয়ারী কক্সবাজার অতিরক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারা চেয়ে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীদের কে উক্ত নালিশী জায়গায় অনুপ্রবেশ না করার জন্য বারিত করার করার আদেশ দেন। যার মামলা নম্বর ২৩/২০২০। স্বারক নম্বর ১৯৯৩। এতে বিবাদী করা হয় নুরুল আমিন গং কে।
এদিকে বিবাদী নুরুল আমিন বাস্তব ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মুক্তিযুদ্ধা শব্দকে অপ ব্যবহার করে জবরদখলের নামে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে।
মূলত আমরা সাবেক মেম্বার সলিমুল্লাহ ও ইউনুস ভুট্টু কেবল শাহজালাল চৌধুরীর ভোগ দখলীয় জায়গাটি দেখাশোনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছি। আমরা জায়গা জবর দখলের চেষ্টা করছি মর্মে যে সংবাদটি ছাপা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। নুরুল আমিন একজন প্রতারক চক্রের সদস্য বিভিন্ন তাল বাহানা ও অজুহাত সৃষ্টি করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার প্রধান কাজ। ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা কৌশলে আদায় করেছে।
তিনি আরো টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য মূলত মিথ্যা অপপ্রচার করেছে। এছাড়াও মফজল আহমদের কোন জায়গা জমি নেই। বিভিন্ন সময়ে জায়গা বিক্রি করে তিনি নিঃস্বত্ববান হয়ে গেছে। সুতরাং তার জায়গা জবর দখলের বিষয়টি হাস্যকর।
এমতাবস্থায় আমাদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের জোর প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি মিথ্যা সংবাদ পড়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ রইল।

প্রতিবাদকারী
সলিমুল্লাহ সাবেক মেম্বার
ও ইউনুছ ভুট্টু
ইনানী, জালিয়াপালং, উখিয়া

পাঠকের মতামত

কক্সবাজারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রমজানের বদলে কারাভোগ করা সোনা মিয়া জামিনে মুক্ত

‘আয়নাবাজি’র শিকার নিরপরাধ দিনমজুর সোনা মিয়া অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার জেলা ...

কক্সবাজারে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিচালকের স্বেচ্ছাচারিতা, স্থানীয় কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত অন্যতম বেসরকারি সংস্থা ‘গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র’ (জিকে)-এর ভারপ্রাপ্ত ...

কক্সবাজারে হচ্ছে পর্যটন হাব,আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের

পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটন হাবে রূপান্তরের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে সমন্বিত ...
Single Page Footer