প্রকাশিত: ২০/০৬/২০১৯ ১০:৫৩ এএম

সম্প্রতি কক্সবাজারের দৈনিক পত্রিকা ও কয়েকটি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত “প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে বিদেশী ফান্ডে নলকূপ স্থাপন” শীর্ষক শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদে কিছু মিথ্যা তথ্যের অবতারণা করা হয়েছে। যা অাদৌ সত্য নয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে,আমি দীর্ঘ ৪০ বছর সৌদিআরবে ছিলাম। সৌদিতে থাকাকালীন সময় আমি আমার গ্রামের গরীব আত্বীয় স্বজনদের মাঝে কয়েকটি টিউবওয়েল স্থাপন করে দেয়। যা ২০/২৫ টির বেশী হবেনা। অথচ সংবাদে আমাকে জড়িয়ে কল্পকাহিনী রচনা করা হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে আমি লক্ষ লক্ষ টাকা অর্থ সংগ্রহ করে বিভিন্ন গ্রামে ১৮০টির অধিক নল কূপ স্থাপন করেছি। যার সাথে বাস্তবের মিল নেই। তাছাড়া সংবাদে নলকূপ স্থাপনের নামে যে লুটপাটের কথা বলা হয়েছে তা অবান্তর। সংবাদটি পড়লেই বুঝা যায় তা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে করা। আসলে জায়গাজমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি মহলের সাথে আমার বিরোধ চলে আসছিল,তারা আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। নাজেহালের চেষ্টাও করেছে। অবশেষে তারা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে তিলকে তাল বানানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এহেন মিথ্যা বনোয়াট সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য প্রশাসন সহ সকলের প্রতি অনুরোধ রইল। পাশাপাশি এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী…
মাহামুদুল্লাহ
পিতা মৃত হাজী নজির আহমদ
মধ্যম নিদানিয়া,জালিয়াপালং
উখিয়া।

পাঠকের মতামত

টিউবওয়েল নাকি ফটোসেশন? কুতুপালংয়ে ‘হেফজু সিন্ডিকেট’ ঘিরে চাঞ্চল্য

কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের বাসিন্দা আব্দুল ওয়াহাবের বড় ছেলে হেফজু রহমান ও দেলোয়ার-এর বিরুদ্ধে ...

অচল কক্সবাজার সৈকতের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স, ঝুঁকিতে পর্যটকদের জরুরি সেবা

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে প্রতিদিন ভিড় করেন হাজারো পর্যটক। নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ সব বয়সী মানুষের ...
Single Page Footer