প্রকাশিত: ২৮/০৫/২০১৭ ৮:৫৭ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৫:২৭ পিএম

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::
যাকে এলাকায় নামে চেনেন না বেশীর ভাগ লোক। তার প্রকৃত নামও জানেন না গ্রামের অনেকেই। সেই বহুল পরিচিত প্রবীণ মুরুব্বী ‘ভাগ্যের বাপ’ মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না রাজিউন)।

ভাগ্যের বাপ কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের শাহপুরির দ্বীপ গ্রামের বাসিন্দা। তার প্রকৃত নাম কাদির হোসেন। তিনি টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপুরির দ্বীপ মিস্ত্রী পাড়ার মৃত আবদুল মতলবের পুত্র।

কাদির হোসেন ওরফে ভাগ্যের বাপের বয়স জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী ১০৪ বছর। তবে গ্রামবাসীর মতে তিনি কমপক্ষে ১১০ বছর বয়সে আজ (রবিবার) সকালে বার্ধক্য জনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৭ পুত্র ২ কন্যা মিলে ৪৯ জন নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।

‘ভ্যাগ্যের বাপের’ ভ্রাতুষ্পুত্র ইমাম শরীফ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার জেঠা নিতান্তই একজন ধার্মিক লোক ছিলেন। তিনি ছোট বেলা থেকেই এলাকায় ব্যবসা করতেন। গ্রামের সবার ব্যবসা মার খেলেও আমার জেঠার ব্যবসা কোনদিন মার খায়নি। এ কারণে লোকে তাকে ‘ভাগ্যের বাপ’ বলেন।’

শাহপুরির দ্বীপের প্রবীণ শিক্ষক জাহেদ হোসেন বলেন, ‘কাদির হোসেন ওরফে ভাগ্যের বাপের অনেকগুলো মাছধরা নৌকা ছিল। গ্রামের লোকজন সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কেউ মাছ না পেলেও ভাগ্যের বাপের মালিকানাধীন নৌকার জালে অনেক মাছ ধরা পড়ত।’

এলাকার চৌকিদার দরবেশ আলী জানান, কাদির হোসেন প্রচুর ক্ষেত-খামার করতেন। প্রত্যেক মওসুমের ক্ষেত-খামারে তিনি ভাল ফলন পেতেন। এসব কারণে কাদির হোসেন লোকেমুখে পরিচিতি লাভ করে ‘ভাগ্যের বাপ’ হিসাবে।

শাহপুরির দ্বীপ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মওলানা রশিদুল্লাহ বলেন, মরহুম কাদির হোসেন বাস্তবেই একজন ভাগ্যের বাপ। তিনি পহেলা রমজানের এমন পবিত্র দিনে ইহকাল ত্যাগ করে ভাগ্যের মৃত্যু বরণ করে নিয়েছেন। আজ (রবিবার) আছরের নামাজের পর মরহুমের নামাজে জানাযা অনুষ্টিত হয়েছে।
সুত্র: কালেরকন্ঠ

পাঠকের মতামত

মিয়ানমারের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর বিদ্রোহীদের দখলে

মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা দেশটির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের দখল নিয়েছে। মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী তা’আং ...

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ও দূরপাল্লার ট্রেন পটিয়া স্টেশনে যাত্রা বিরতির দাবি

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার ও দূরপাল্লার ট্রেন পটিয়া স্টেশনে যাত্রা বিরতিসহ বিভিন্ন দাবিতে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমকে স্মারকলিপি দিয়েছেন ...