প্রকাশিত: ২২/০৪/২০২০ ৮:০১ পিএম

জাহাঙ্গীর আলম শামস:
কক্সবাজার শহরের হাসপাতাল সড়কে অপরিকল্পিতভাবে নালা (ড্রেন) নির্মাণের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। সঠিকভাবে পানি অপসারণের ব্যবস্থার অভাবে হাশেমিয়া বোর্ডিং সংলগ্ন নালায় জমেছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। পানি চলাচল বন্ধ হয়ে ময়লা-আবর্জনা আটকে থাকায় ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, বাড়ছে মশা-মাছির উপদ্রব। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের দুইপাশের নালায় বিভিন্ন দোকান ও ঘর-বাড়ির পরিত্যক্ত বর্জ্য দিনের পর দিন পড়ে থাকলেও সংশ্লিষ্টরা তা সরাতে কোনও পদক্ষেপই নেয়নি। ময়লা-আবর্জনা বেশি জমে যাওয়ায় পানি অপসারণ ব্যবস্থা সংকুচিত হয়ে গেছে। একটু বৃষ্টি হলেই এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। অপরিকল্পিত নালাগুলো দীর্ঘদিনেও পরিচ্ছন্ন না করায় ময়লা-আবর্জনা জমে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।’ সরেজমিনে দেখা গেছে, এলাকায় দুইপাশের নালায় ময়লা ফেলা সম্পূর্ণ নিষেধ থাকা সত্বেও এলাকার ঘর-বাড়ি ও দোকানদার ময়লা ফেলছে দেদারছে। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ চুপ। স্থানীয়রা জানায়, হাসপাতাল সড়ক হওয়ায় এ সড়ক দিয়ে দিন-রাত রোগী নিয়ে অগিণত মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। পথচারীকে এ সড়ক দিয়ে নাক-মুখে রুমাল চেপে চলাচল করতে হয়। এলাকার ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘নালায় ময়লা আবর্জনা আটকে যে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে এই দুঃসময়ে সেটাও একটি আতংক আমাদের জন্য। যেকোন সময় অসুস্থ হয়ে যেতে পারি। এই নোংরা পরিবেশ থেকে বাঁচতে চাই আমরা।’ যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলায় দুর্গন্ধে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। করোনার প্রাদুর্ভাবে এমনিতে সকলে আতংকে দিনাতিপাত করছে তার উপর দুর্গন্ধের যন্ত্রণা কিভাবে সহ্য করবে মানুষ? তাই একটি নিরাপদ, সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং পৌরসভাকে নালা নর্দমায় জমে থাকা ময়লা দ্রুত অপসারণ করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এলাকায় রূপান্তিত করতে হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে জানতে চাওয়ার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

পাঠকের মতামত

২৮ মামলার আসামি টেকনাফের নুরুল হুদার এবার দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ড

কক্সবাজার টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি নুরুল হুদাকে ...
Single Page Footer