
মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর হাত থেকে রাখাইন রাজ্যের হাতছাড়া হওয়া অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারে সেনাবাহিনীর নতুন করে শুরু করা তীব্র সামরিক অভিযানের মুখে পড়েছে আরাকান আর্মি (এএ)। ঠিক এমন এক অস্থির সময়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে কয়েকটি গ্রাম স্থানান্তরের বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।
চূড়ান্ত রূপ নিতে যাওয়া এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু জেলার সীমান্ত সংলগ্ন কয়েকটি নির্দিষ্ট গ্রামের বাসিন্দাদের রাস্তা ও নদীপথে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে—এমন নিরাপদ স্থানগুলোতে সরিয়ে নেওয়া হবে।
গত ২ মার্চ এক সাক্ষাৎকারে আরাকান আর্মির প্রধান তুয়ান ম্রাত নাইং এই সংবাদদাতাকে পুনর্বাসন পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি জানান, সীমান্ত সংলগ্ন দূর্গম ও বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোর ওপরই জোর দেওয়া হবে, যার একটি বড় অংশে ম্রো নামের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন।
তুয়ান ম্রাত নাইং স্পষ্ট করে বলেন, অধিবাসীদের উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই হলো কয়েকটি গ্রামের মানুষদের অন্য জোনে স্থানান্তরের প্রধান কারণ। তিনি বলেন, ‘অনেকগুলো গ্রামই বেশ বিচ্ছিন্ন ও ছড়ানো-ছিটানো। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে এই বিচ্ছিন্নতার অবসান ঘটে। আমাদের তাদের পুনর্বাসিত করতে হবে এবং এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে যেখানে আমরা তাদের সুরক্ষা দিতে পারি এবং তাদের ওপর নজর রাখতে পারি।’
তবে এএ প্রধান প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষ করার কোনো সময়সীমা বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। তা সত্ত্বেও, কিছু গ্রামের নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর ব্যক্ত করা এই উদ্বেগ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আরাকান আর্মির পরিকল্পনার এক বহুমুখী তাৎপর্য বহন করে।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের একটি বড় অংশজুড়ে (৬৪ কিলোমিটার) নাফ নদী প্রবাহিত, যা দুই দেশের প্রাকৃতিক সীমানা হিসেবে কাজ করে। মিয়ানমার অংশে এই সীমান্ত রাখাইন রাজ্যের মংডু ও চিন রাজ্যের পালেতওয়া জেলার সাথে যুক্ত, যা বাংলাদেশের কক্সবাজার সংলগ্ন।
বর্তমানে এই দুটি জেলাই আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে স্থানান্তরের মূল আলোকপাত করা হচ্ছে মংডুর সীমান্ত গ্রামগুলোর ওপর, যেখানে মোট জনসংখ্যার ৯০ শতাংশের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ঠিক কতগুলো গ্রাম রয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই। পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০১৭ সালের “ক্লিয়ারেন্স অপারেশন”-এর আগে সেখানে আরও অনেক রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রাম ছিল, যেগুলোর অনেকগুলোই ধ্বংস হয়ে অস্তিত্ব হারিয়েছে। বর্তমানে সেখানে একশটিরও বেশি গ্রাম রয়েছে, যার অধিকাংশই রাখাইন বৌদ্ধ, ম্রো, খামী ও চাকমার মতো অ-রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের আবাসস্থল।
সীমান্তে আরসার উপস্থিতি
রাখাইন রাজ্যের অন্যান্য অংশ দুই বছর আগে জান্তা বাহিনীর হাত থেকে দখল করে নিলেও, সীমান্তে নিজেদের সম্পূর্ণ আধিপত্য বজায় রাখতে না পারাই আরাকান আর্মির সীমান্ত গ্রাম পুনর্বাসনের সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ।
তাছাড়া, আরাকান আর্মিকে উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জন্য পৃথক অঞ্চল গঠনের লক্ষ্যে লড়াই চালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’ (আরসা)-এর মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
২০১৬-১৭ সালে আরসা উত্তর রাখাইন রাজ্যে পুলিশ ও সামরিক ফাঁড়িতে একাধিক হামলা চালায়। জবাবে মিয়ানমার সেনাবাহিনী “ক্লিয়ারেন্স অপারেশন” শুরু করে, যার ফলে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিহত হন এবং ৭ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।
তবে ২০২৩ সালের শেষের দিকে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন মংডু দখলে নেওয়া থেকে আরাকান আর্মিকে ঠেকাতে মিয়ানমার সেনাবাহিনী আরসা এবং ‘রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন’ (আরএসও)-এর মতো রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সাথে হাত মেলায়। সেনাবাহিনী আরাকান আর্মিকে মংডু দখল করা থেকে আটকাতে না পারলেও, সেই সহিংসতার ফলে আরও বহু রোহিঙ্গা ও বিদ্রোহী সদস্য সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
উত্তর মংডুর রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে আরসার শক্তিশালী সমর্থন রয়েছে। এটি আরাকান আর্মি এবং অ-রোহিঙ্গা গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের ওপর বিচ্ছিন্নভাবে হামলা চালিয়ে থাকে। এই গোষ্ঠীর সদস্যরা প্রায়শই বুথিডং, মংডু ও রাথিডং শহরগুলোকে বিভক্তকারী ‘মে ইউ’ পর্বতমালার বনাঞ্চলে যাতায়াত করে।
আরসা প্রায়শই আরাকান আর্মির সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত বা মে ইউ পর্বতমালার কাছে অবস্থিত গ্রামগুলো থেকে অ-রোহিঙ্গা বাসিন্দাদের অপহরণ ও হত্যার ঘটনাও ঘটিয়েছে। এসব হামলার শিকারদের বেশিরভাগই রাখাইন বৌদ্ধ, ম্রো, খামী, থেক ও চাকমা সম্প্রদায়ের মানুষ।
গত বছরের ১২ নভেম্বর আরসা সদস্যরা মংডুর কনে চাউং গ্রাম থেকে ১০ বছরের এক শিশুসহ তিনজনকে অপহরণের পর হত্যা করে। নিহত শিশুটির মা ও একই গ্রামের বাসিন্দা সো মে দ্য ডিপলোম্যাটকে বলেন, ‘তারা ৬ জনের একটি দলে ছিল। তিনজন পুরুষ কোনোমতে আহত অবস্থায় পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল।’
একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধের আশঙ্কা
বর্তমানে আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতওয়ে ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে। রাখাইনে আরাকান আর্মির কাছে হারানো ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে ‘অপারেশন ৪৯২৬’ নামে একটি নতুন সামরিক অভিযান শুরু করেছে মিয়ানমার জান্তা।
তবে এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। আরাকান আর্মি এবং এর রাজনৈতিক শাখা ‘ইউনাইটেড লিগ অব আরাকান’ (ইউএলএ)-এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই সংবাদদাতাকে জানান, উত্তর রাখাইনে আরাকান আর্মির ওপর আরও বড় ধরনের হামলা চালাতে জান্তা বাহিনী আরসাকে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করতে পারে। রাখাইনে সামরিক অভিযান তীব্র হওয়ার সাথে সাথে সীমান্ত এলাকায় আরসার দৌরাত্ম্য বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
আরসার সম্ভাব্য হামলা থেকে সীমান্ত সংলগ্ন অ-রোহিঙ্গা গ্রামগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নিয়ে বেশ চিন্তিত আরাকান আর্মি। এসব গ্রামের অধিবাসীরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা ও চিকিৎসার জন্য প্রায়ই বাংলাদেশে যাতায়াত করেন; আরসা তাদের লক্ষ্যবস্তু বানালে এই যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ইউএলএ-এর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ৫০ থেকে ৫৭ নম্বর সীমান্ত পিলারের মাঝামাঝি অবস্থিত প্রায় ২০টি গ্রাম আরসার হামলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এই গ্রামগুলোর বেশিরভাগেরই অধিবাসী ম্রো ও রাখাইন বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ।
আরসা ও আরএসও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থাপিত তাদের আস্তানাগুলো থেকেও আরাকান আর্মি ও সীমান্ত গ্রামগুলোকে নিশানা বানাতে পারে। মংডু শহরের কয়েকজন ব্যবসায়ী, যাঁদের মধ্যে কয়েকজন রোহিঙ্গা সদস্যও রয়েছেন, দ্য ডিপলোম্যাটকে জানিয়েছেন যে তাঁরা বাংলাদেশের পার্বত্য বান্দরবান সীমান্ত এলাকায় আরসা ও আরএসও-র ক্যাম্প দেখেছেন।
মংডু শহরের কাছেই সীমান্ত গ্রাম ওয়েইলারটং-এর ব্যবসায়ী কিয়াও আয়ে থান বলেন, ‘এসব ক্যাম্পের কয়েকটি বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) আউটপোস্টের খুব একটা দূরে নয়। বাংলাদেশের ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাতেই আরসা সবচেয়ে বেশি সক্রিয়।’
আরাকান আর্মি তাদের সামরিক শক্তি ও সম্পদের সিংহভাগই এখন রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ে দখলের লড়াইয়ে নিয়োজিত করেছে। এছাড়া মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চল যেমন সাগাইং, মাগওয়ে এবং ইরাবতী অঞ্চলে জান্তাবিরোধী স্থানীয় ‘পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস’ (পিডিএফ)-এর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছে আরাকান আর্মির অনেক ক্যাডার। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে আরসাকে মোকাবিলা করতে অতিরিক্ত সৈন্য পাঠাতে গেলে আরাকান আর্মি সামরিকভাবে বেশ চাপে পড়ে যাবে।
সামরিক শক্তি বাড়াতে দুই মাস আগে ‘জাতীয় জরুরি প্রতিরক্ষা আইন’-এর অধীনে আরাকান আর্মি তাদের দ্বিতীয় দফার বাধ্যতামূলক নিয়োগ অভিযান শুরু করেছে।
তুয়ান ম্রাত নাইং এই সংবাদদাতাকে বলেন, কিছু অ-রোহিঙ্গা গ্রামের সাথে আরসার ‘গোপন সখ্যতা’ বা আঁতাতের তথ্য তারা জানতে পেরেছেন। তাদের মধ্যে লাগাতার যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান সীমান্ত এলাকায় আরাকান আর্মিকে কৌশলগতভাবে আরও দুর্বল করে তুলতে পারে।
গ্রাম স্থানান্তরের পাশাপাশি প্রযুক্তির সাহায্যে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে আরাকান আর্মি। এএ প্রধান জানান, ড্রোন, নজরদারি ক্যামেরা ও অন্যান্য আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্থানান্তরিত হতে শুরু করেছেন সীমান্তবাসী
আরাকান আর্মি তাদের পুনর্বাসন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগেই সীমান্ত এলাকার বেশ কিছু অ-রোহিঙ্গা পরিবার নিজেদের উদ্যোগে মংডুর নিরাপদ স্থানে সরে যেতে শুরু করেছে।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি মংডু শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তরে কাইন গ্রী গ্রামের কাছে চারটি নতুন কুঁড়েঘর তৈরি হতে দেখা যায়। ম্রো সম্প্রদায়ের এই অধিবাসীরা সীমান্ত পিলার ৫২-এর কাছে অবস্থিত ডন নিউ গ্রাম থেকে এসেছেন।
কুঁড়েঘর তৈরির কাজে ব্যস্ত থাকা কাইং থক নামের এক বয়স্ক ব্যক্তি জানান, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে গত বছর থেকে সীমান্ত পিলার ৫৫ থেকে ৫৮-এর কাছের পেয়ার রে ও কিয়াক লোন গ্রাম থেকে ৮৫টি পরিবার নিরাপদ স্থানে সরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইউএলএ-এর দেওয়া জমিতে তারা এখন নতুন ঘর বাঁধছেন।
কাইং থক বলেন, ‘সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে আরসার ক্যাম্প ও ট্রেনিং সেন্টারগুলো আমাদের গ্রাম থেকে খুব একটা দূরে নয়। আরসার লোকেরা আমাদের তাদের সাথে যোগ দিতে বলেছিল এবং না করলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিয়েছিল।’
দুটি নির্দিষ্ট ঘটনা বাসিন্দাদের এই বড় সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। গত বছরের এপ্রিলে আরসা সদস্যরা আরাকান আর্মির একটি আউটপোস্টে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পাঁচ মাস পর, ৫২ নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে হাটে গিয়ে নিখোঁজ হন ৬ জন কৃষক। এরপরই আতঙ্কিত বাসিন্দারা গ্রাম ছাড়তে শুরু করেন।
ম্রো অ্যাফেয়ার্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অং হ্লাইং জানান, ‘চারটি গ্রামের প্রায় এক হাজার মানুষ ইতোমধ্যে মংডুর বিভিন্ন স্থানে চলে এসেছেন। অন্যান্য গ্রামের আরও অনেকেই—যাঁদের অধিকাংশ ম্রো, রাখাইন বৌদ্ধ ও খামী সম্প্রদায়ের—একইভাবে চলে আসার পরিকল্পনা করছেন।’ অং হ্লাইং নিজেও তিন বছর আগে ৩০ জনের একটি দলের সাথে সীমান্ত এলাকা ছেড়ে চলে এসেছিলেন।
সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর অধিকাংশ মানুষই জুম চাষ বা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া পণ্যের ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। নতুন জায়গায় এসে নতুন পেশার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে গিয়ে তাঁদের জীবিকা অর্জনে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কেউ কেউ দিনমজুরের কাজ বেছে নিয়েছেন, আবার কেউ ধান ও শাকসবজি চাষ করে দোকানে বিক্রি করছেন।
নতুন এই বসতিতে তাঁদের মনে আরসার আক্রমণের ভয় হয়তো নেই, কিন্তু আগে যে দারিদ্র্যের মুখে তাঁদের পড়তে হয়নি, এখন সেই চরম দারিদ্র্যের সাথেই লড়াই করতে হচ্ছে। এছাড়া পুরো রাখাইন রাজ্যের মতো আকাশপথে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলার আতঙ্ক তো রয়েছেই। সুত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট

পাঠকের মতামত