প্রকাশিত: ২৩/০৫/২০১৬ ১০:৩৯ পিএম

13267843_1013635295381204_6420895665302487603_nঢাকা: সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে যিনি দিনরাত ছুটে চলেন এ গলি থেকে ও গলিতে সেই সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবার নিজেই অসচেতনতার পরিচয় দিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে।

সম্প্রতি মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে তার নিজ এলাকার গ্রামের রাস্তায় মোটরসাইকেলে চড়ে সদলবলে মহড়া দিতে দেখা গেছে। তবে বিপত্তিটা তৈরি হয়েছে মোটরসাইকেলে চড়া নিয়ে নয়, মাথার হেলমেট নিয়ে। শোডাউনে কারো মাথায়ই হেলমেট ছিল না। এমনকি স্বয়ং মন্ত্রীর মাথায়ও না।

এ ঘটনার পর সোমবার (২৩ মে) বাংলাদেশের প্রথম মোটরসাইকেল ব্লগ দাবিদার বাইক বিডি নামের একটি গ্রুপ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের গ্রামের রাস্তায় মোটরসাইকেলে হেলমেটবিহীন একটা ছবি পোস্ট দিয়েছে। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। ফেসবুকে বাইক বিডির প্রায় সাড়ে তিন লাখ লাইক রয়েছে। এ ছবি পোস্ট করার পর থেকে অনেককেই বিভিন্ন কমেন্টস করতে দেখা গেছে।

এদিকে মন্ত্রীর ছবি পোস্ট করে বাইক বিডি লিখেছে, ‘মাননীয় যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাহেব, কিছুদিন আগে সংবাদমাধ্যমে জানতে পারলাম আপনি মহাসড়কে বাইক থামিয়ে বাইকারদের হেলমেট না থাকার দরুন তাদের হেলমেট পরার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এই খবর শুনে আমাদের খুব ভালো লাগলো, কারণ আমরা বাইক বিডি থেকে গত সাড়ে ৩ বছর ধরে বাইকারদের মধ্যে হেলমেট ব্যবহার জনপ্রিয় করার উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’

গ্রুপটি আরো লিখেছে, ‘কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার হেলমেটবিহীন বাইকারের সাথে বাইক যাত্রার ছবি দেখে আমরা খুব মর্মাহত…’

আশা করি ভবিষ্যতে বাইকারদের হেলমেট ব্যবহারে উৎসাহিত করবেন এবং এই ধরনের হেলমেটবিহীন বাইক যাত্রা থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো…’

মন্ত্রীর হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল যাত্রার ছবি ফেসবুক থেকে সংগ্রহের কথা উল্লেখ করেছে বাইক বিডি। এতে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। তাদের মধ্যে এমডি সাগর নামে একজন মন্তব্য করেছে, ‘গ্রামের রাস্তা, ইটস ওকে, বাট এট লিস্ট হেলমেট সঙ্গে রাখা উচিত ছিলো।’

এমডি আতিকুর রহমান নামের আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘গ্রামের রাস্তায় কয়জন হেলমেট পরে চালায়।’

সালমান আহম্মেদ নামে একজন লিখেছেন, ‘এক্সিডেন্ট কি শুধু শহরের জন্য।’

তামিম আল মাহির অর্ক নামে একজন ছবি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘এই জন্যেই কথায় বলে- “আগে নিজের চরকায় তেল দাও, পরে অন্যেরে দিও।”

যাই হোক, আমাদের কথার সঙ্গে কাজের সঙ্গতি অনেক ক্ষেত্রেই কম। আর তা কম বলেই আমাদের সার্বিক উন্নতি অগ্রগতির গতি মন্থর। তবে বিশেষ ব্যক্তিবর্গের কথা আর কাজে সামঞ্জস্য না থাকলে তা যে সাধারণের চোখ এড়ায় না সেটি আরো একবার প্রমাণ হলো। কেননা বিশেষদের বক্তব্যের উপর ভর করেই যে সমাজ রাষ্ট্রের গতি-প্রকৃতি নির্ধারিত হয়। আর নীতি-নির্ধারকদের এমন হেয়ালি আমজনতার কাছে অবশ্যই হয়তো কাম্য নয়। খাপছাড়াও বটে!

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও সুইডিশ সহায়তা চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ সহায়তা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ...

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনবিতর্কিত মালিকদের হাতে ফিরছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের মালিকানা

একীভূত হওয়া পাঁচটি দুর্বল ব্যাংকের মালিকানা পুরোনো মালিকদের কাছে ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে ...

হঠাৎ ঢাকায় ভারতের ‘র’ প্রধান

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা ...

কিসের হাসিনা, কোথায় বক্তব্য দিয়েছে, চেহারা কেউ দেখেছে: প্রশ্ন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশের মানুষ কখনও গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের গ্রহণ করবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ...

৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, দেশের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ...
Single Page Footer