আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১/০৩/২০২৬ ৪:৪৯ এএম

৩৪তম দফার হামলায় হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে ইরান। ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো ইরানের হামলার লক্ষ্য ছিল।

ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী বা আইআরজিসির বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আইআরজিসি মার্কিন এবং ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে ৩৪তম দফায় হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) আবুধাবির কাছে আল-ধাফরা বিমান ঘাঁটিতে এবং বাহরাইনের জুফায়ার বিমান ঘাঁটিতে অবস্থিত মার্কিন সেনাদের নিশানা করা হয়। পাশাপাশি ইসরায়েলের রামাত ডেভিড বিমান ঘাঁটি এবং হাইফার বেসামরিক বিমানবন্দর নিশানা করা হয়।

ইরানের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তেল আবিবের পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলের গোপন ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলোতে আঘাত হেনেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীও জানিয়েছে, ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে যৌথভাবে ইরানে আকস্মিক হামলা শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামারিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।

তিন দেশের পাল্টাপাল্টি হামলা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এতে ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সামরিক, বেসামরিক, নারী ও শিশুসহ অসংখ্য মানুষ নিহত হয়েছেন এবং এই সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

চার-পাঁচ সপ্তাহ যুদ্ধ চলতে পারে বলে শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেও সোমবার তিনি বলেন, ‘ওদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে।’

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই পাল্টা বিবৃতি দেয় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি। সংগঠনটি জানিয়ে দেয়, ‘যুদ্ধ কবে শেষ হবে, সেটা আমরা ঠিক করব। আর কেউ নয়।’ একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে এক লিটার তেলও নিয়ে যেতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেয় তারা।

আইআরজিসির মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নায়িনী বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগ্রাসী দেশ ও তাদের মিত্রদের কাছে অঞ্চল থেকে এক লিটার তেলও রফতানি করতে দেবে না।

তার মতে, তেল ও গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার যে চেষ্টা করা হচ্ছে, তা ‘অস্থায়ী এবং শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে’

পাঠকের মতামত

জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে দেখতে চান ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হিসেবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে মনোনয়ন দিতে চান ...

যেকোনো সময় ইসরাইলে হামলা, মিত্রদের প্রস্তুত থাকতে বলল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই হিজবুল্লাহসহ নিজেদের অন্যান্য আঞ্চলিক মিত্রদের বৃহত্তর সংঘাতের জন্য প্রস্তুত হতে ...

তেহরানের বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে কফিনে দেখিয়ে হত্যার হুমকি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি বড় বিলবোর্ড স্থাপন ...
Single Page Footer