ওবাইদুল হক চৌধুরী, উখিয়া নিউজ ডটকম
প্রকাশিত: ০৫/০৪/২০২৬ ২:৫০ পিএম

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য চাহিদাভিত্তিক নতুন খাদ্য সহায়তা পদ্ধতি চালু করেছে। কক্সবাজার ও ভাসানচরের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার জন্য এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

ডব্লিউএফপি জানায়, “টার্গেটিং অ্যান্ড প্রায়োরিটাইজেশন এক্সারসাইজ (TPE)” বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সব পরিবারই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলেও সবার চাহিদা এক নয়। তাই এখন থেকে পরিবারভেদে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।

নতুন ব্যবস্থায় চরম খাদ্য সংকটে থাকা পরিবারগুলো কক্সবাজারে জনপ্রতি ১২ ডলার এবং ভাসানচরে ১৩ ডলার পাবে। তীব্র সংকটে থাকা পরিবারগুলো পাবে যথাক্রমে ১০ ও ১১ ডলার এবং অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলো পাবে ৭ ও ৮ ডলার।

ডব্লিউএফপি’র ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর সিমোন পার্চমেন্ট বলেন, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সহায়তা দেওয়া হবে, তবে সব রোহিঙ্গাই সহায়তার আওতায় থাকবে।

সংস্থাটি জানায়, এই পদ্ধতিতে শিশু-প্রধান পরিবার, নারী-প্রধান পরিবার, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী সদস্য থাকা পরিবারগুলো সর্বোচ্চ সহায়তা পাবে।

আন্তর্জাতিক দাতাদের সহায়তায় ডব্লিউএফপি ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। পাশাপাশি শিশু ও মায়েদের পুষ্টি সহায়তা, স্কুল ফিডিং এবং দুর্যোগ প্রস্তুতি কার্যক্রমও চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য এখনো কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ডব্লিউএফপি।

পাঠকের মতামত

মৃত্যুর পরও লাখো হৃদয়ে আলীম উদ্দিন ফকিরপীরে কামেলের জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল, দ্বীনের পথে তাঁর অবদানের স্মরণ

মৃত্যুর পরও লাখো মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন শাহ সুফি আলহাজ্ব আলীম উদ্দিন ফকির, এমন প্রত্যয় ...

গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে বিচার চেয়েছিলেন কক্সবাজারের সুমাইয়া

বিয়ের প্রতিশ্রুতি, গর্ভে অনাগত সন্তান আর প্রিয় মানুষের স্বীকৃতি চেয়ে শেষ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেছিলেন ...
Single Page Footer