উখিয়া নিউজ ডটকম
প্রকাশিত: ১২/১০/২০২২ ৯:৫৮ এএম , আপডেট: ১২/১০/২০২২ ১১:০৭ এএম

রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য প্রথম দিনে কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। আলোচিত এ মামলায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য বাদীসহ সাতজন সাক্ষীকে হাজির থাকার জন্য সমন জারি করেছিলেন।

আজ মঙ্গলবার কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কোনো সাক্ষী হাজির হননি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফরিদুল আলম।

আইনজীবী ফরিদুল ইসলাম জানান, সকালে জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৪ আসামিকে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু দুপুর ২টা পর্যন্ত মামলার বাদীসহ সাক্ষীরা কেউ আদালতে উপস্থিত হননি। এতে সাক্ষ্যগ্রহণ সম্ভব হয়নি। বিচারক সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পিছিয়ে পরবর্তী দিন ধার্য করবেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় মোট সাক্ষী ৩৮ জন। অভিযুক্ত ২৯ আসামির মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে ১৪ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। বাকি ১৪ জন পলাতক।

২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়া উপজেলার লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের ডি ব্লকে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন মুহিবুল্লাহ। তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রায় সাড়ে আট মাস পর তদন্ত শেষে উখিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাহ উদ্দিন গত ১৩ জুন ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

নিহতের পরিবার ও এআরএসপিএইচের নেতারা এই ঘটনায় মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) জড়িত বলে অভিযোগ করে আসছে। স্বদেশে প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করা ও রোহিঙ্গাদের কাছে মুহিবুল্লাহর জনপ্রিয়তার কারণে আরসা প্রধান আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির নির্দেশে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। জুনুনিসহ সাতজনের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত করা যায়নি বলে তাঁদের নাম অভিযোগপত্রে আনা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ২৯ জনকে আসামি করে আদালত অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন। ওই দিন শুনানি শেষে আদালত মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।

এদিকে মুহিবুল্লাহর পরিবার তাঁর হত্যাকাণ্ডের পর জাতিসংঘের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে তৃতীয় কোনো দেশে আশ্রয়ের দাবি জানায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই দফায় তাঁর স্ত্রী, সন্তান, মা ও পরিবারের ২৫ জন সদস্য কানাডায় আশ্রয় পেয়েছেন। কেবল মামলার বাদী মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ ট্রানজিট ক্যাম্পে রয়েছেন।

পাঠকের মতামত

 

দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপি জনগণের সরকার, সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় ...

রাজাপালং ভেঙে হচ্ছে ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন, গণশুনানির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়ন বিভক্ত করে ‘উয়ালাপালং’ নামে নতুন একটি ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে ...

টেকনাফে ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি; নেতৃত্বের দ্বন্ধে বাড়বে জন ভোগান্তি

কক্সবাজারের টেকনাফে নতুনভাবে কয়েকটি ইউনিয়ন করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানাগেছে। নাগরিক সেবা ত্বরান্বিত করতে উপজেলার ...

কক্সবাজারে বন্যা কবলিত বন্ধুর খোঁজ নিতে যাচ্ছিলেন, পথে প্রাণ গেল বন্ধুর

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত বন্ধুর খোঁজ নিতে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. মানিক উদ্দিন নাহিদ ...

কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে ইয়াবা পাচার, আটক ৩

মাদক পাচারে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে সন্দেহ এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল ...