প্রকাশিত: ১৮/০৫/২০১৭ ৯:২১ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৬:০১ পিএম

বুন্দেলখণ্ড: পিস্তল ঠেকিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরকে উঠিয়ে নিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ডের এক তরুণী। পুলিশ অবশ্য ওই তরুণীকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্থানীয়দের বরাতে বলা হয়, বিয়ের আসরে বর্ষা সাহু নামের ওই তরুণী রীতিমতো নাটকীয়ভাবে বলেছিলেন, তাকে ভালোবেসে তার প্রেমিক অন্য কাউকে বিয়ে করবে, তা তিনি বরদাস্ত করবেন না। পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর ওই তরুণী অপহরণের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি বর অশোক যাদব স্বেচ্ছায় তার সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন।

২৫ বছরের তরুণী বর্ষা সাহু অবশ্য নাটকীয় মুহুর্তের দায় খারিজ করে দিয়ে থানায় বসে জোর গলায় বলেছেন, ‘ওখানে মোটেই পিস্তল নিয়ে যাইনি আমি, এটা একেবারেই মিথ্যে’।

প্রত্যক্ষদর্শীরা অবশ্য অন্য কথা বলছেন। তাদের দাবি, বিয়ের কাজ তখন জোরদমে চলছে। সেই সময়ই একটি গাড়ি থেকে নেমে দুই সঙ্গীর সঙ্গে বিয়ে যেখানে হচ্ছে সটান সেখানে গিয়ে বরের কপালে পিস্তল রেখে বর্ষা বলেছিলেন, ‘এই লোকটা আমায় ভালোবাসে। ও আমাকে ঠকিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করছে। এটা আমি কিছুতেই হতে দেব না’।

পুরো ঘটনায় বিয়ের আসরে উপস্থিত লোকজনের বিস্ময়ের রেশ কাটতে না কাটতেই মণ্ডপ থেকে বরকে তুলে দুই সঙ্গীকে নিয়ে গাড়িতে উঠে পড়েন তিনি। কনের পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয় এবং অপহরণের অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ জানিয়েছে বর্ষা গ্রেপ্তার হলেও অশোকের খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, কয়েক বছর আগে একে অপরের সঙ্গে আলাপ হয় অশোক ও বর্ষার, তারপর প্রেম। অনেকের দাবি, গোপনে তাদের বিয়েও হয়েছে। কিন্তু পরিবারের চাপে অশোক অন্য কাউকে বিয়ে করতে রাজি হন। বর্ষা তার মা ও বোনের সঙ্গে থাকেন। পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেছেন, অশোকই তার গাড়িতে উঠে বসে এবং স্বেচ্ছায় তার সঙ্গে চলে এসেছে। বর্ষার দাবি, অশোক তার বিয়ে নিয়ে একেবারেই খুশি ছিল না। ওই মেয়েটিকে বিয়েও করতে চায়নি। কনের পরিবার জানত যে পাত্রের অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।

এনডিটিভি অবলম্বনে

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer