ফারুক আহমদ, উখিয়া নিউজ ডটকম
প্রকাশিত: ২০/০৪/২০২৬ ১১:৪৯ পিএম , আপডেট: ২০/০৪/২০২৬ ১১:৫০ পিএম

কক্সবাজারে ইমপ্রুভিং একসেস টু ওয়াশ ফর রুরাল কমিউনিটিস প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার  (২০ এপ্রিল) ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কক্সবাজারের একটি অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স রুমে আই, ডাবলিউ, আর, প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

প্রোগ্রাম ইমপ্যাক্ট এন্ড এডভোকেসির ডিরেক্টর  মিঃ সাগর মারান্ডির সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি  ছিলেন  অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ শহিদুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে  বাংলাদেশস্হ জাপান দূতাবাসের ডেপুটি চিপ অফ মিশন মিঃ তাকাহাসি নাওসি,  ওয়ার্ল্ড ভিশন জাপান এর প্রোগ্রাম  কো-অর্ডিনেটর  মিসাকো ওহাসি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আই, ডাবলিউ, আর, প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার মিঃ ইউজিন লী। 

প্রকল্প  সমাপনী অনুষ্ঠানে  রামু উপজেলার ৪ টি ইউনিয়ন যথাক্রমে ফতেখারকুল,জোয়ারিয়া নালা , কচ্ছপিয়া ও গর্জনিয়ায় বাস্তবায়িত আই, ডাবলিউ, আর,  প্রকল্পের কর্মকান্ডের উপর একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও ডকুমেন্টারী উপস্থাপন করা হয়। 

প্রধান অতিথি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) শহিদুল আলম বলেন  প্রকল্পটি রামু উপজেলার জন্য একটি সময়উপযোগী প্রকল্প ছিল, যা নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন অবস্থার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রেখেছেন।  ধরনের জনকল্যাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করায়  জাপান সরকারক ও  ওয়ার্ল্ড  ভিশনকে  ধন্যবাদ জানান।  অনুষ্ঠানে জাপান দূতাবাসের  ডেপুটি চিপ অফ মিশন মিঃ তাকাহাসি নাওকি  বলেন, জাপান বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সর্ম্পক্য রয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপান সরকার সবসময় পাশে থাকবে। অনুষ্টানে চেয়ারম্যন, মেম্বর, সাংবাদিক, শিক্ষক শিক্ষার্থী  ধর্মীয় নেতা, ওউপকারভোগী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজার এরিয়া প্রোগ্রাম কোর্ডিনেশন অফিসের  সিনিয়র ম্যানেজার রোনাল্ড প্রবীর চিসিক জানান  রামু উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নের  ৩০ টি গ্রামে  ৩ বছর মেয়াদে গত এপ্রিল ২০২৩ ইং সন থেকে কাজ শুরু করে করে। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল অনগ্রসর  গ্রামে শিশুসহ দরিদ্র পরিবারের জন্য নিরাপদ পানি, উন্নত স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে স্কুল এবং কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতন করা। এ কর্মসূচি আওতায়  ৪৫ টি ডিপ টিউবয়েল, ৩৪ টি শ্যালো টিউবয়েল ও ২৫ টি ডিপ টিউবয়েল উইথ সাব মার্সেবল পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এতে  ২২১৩ টি পরিবারের ১০১৯৬ জন ব্যবহারকারী নিরাপদ পানির সুবিধা পাচ্ছেন।  এছাড়াও ৪৩ টি কমিউনিটি টয়লেট, ৩ টি হাটবাজারে পাবলিক টয়লেট ও ৭ শত জন দরিদ্র ও অতিদরিদ্র পরিবারকে ল্যাট্রিণের রিং স্ল্যাব বিতরন করা হয়েছে। তাছাড়াও  ২০ টি হাই স্কুল ও মাদ্রাসায় ওয়াস ইন স্কুল কার্যক্রমের আওতায়  ৮ টি ওয়াস ব্লক, ৫ টি নতুন স্কুল টয়লেট নির্মান ও ৮ টি টয়লেট রিনোভেসন, ১০ টি হ্যান্ড ওয়াসিং ষ্টেশন স্থাপন এবং ৬ টি ডিপটিউবয়েল স্থাপন করেছেন। এতে করে  ১০,০৮৬ জন ছাত্র-ছাত্রী  নিরাপদ পানি ও উন্নত স্যানিটেশনের আওতায় এসেছেন।

পাঠকের মতামত

তাজমিন হত্যা: কক্সবাজারের সেই রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা মামলায় অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করতে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার রিয়াজ ...

রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিবছর ৩০ হাজারেরও বেশি শিশুর জন্ম হচ্ছে

এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন করে জোরদার কূটনৈতিক উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দরপত্রের তথ্য ফাঁস ঘুরে ফিরে একই ঠিকাদার, কমিশন বাণিজ্যের প্রশ্ন

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শেড নির্মাণ, শৌচাগার, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ত্রাণসামগ্রী ...