প্রকাশিত: ০৫/০৩/২০২২ ৯:৩৩ পিএম

ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের পর থেকে থেকে জীবন বাঁচাতে ইউক্রেনের হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে সাবওয়ে বা পাতাল রেলস্টেশনে। তারা সেখানে খুব কষ্টে জীবন যাপন করছেন। তাদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে বেশ কয়েকটি সেবা সংগঠন। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুধু কিয়েভের মেট্রো স্টেশনেই ঠাঁই হয়েছে ১৫ হাজারের বেশি মানুষের। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাইকেই থাকতে হচ্ছে একসাথে গাদাগাদি করে। বাইরের জগত থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন সাবওয়েতে ফুরিয়ে আসছে খাবারের মজুদও।

পাতাল রেলস্টেশনের কর্মকর্তা ভিক্টর ব্রাহিনস্কি ইউক্রেনের এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভূগর্ভস্থ এসব স্টেশনে ১ লাখ মানুষের সংকুলান হতে পারে। তিনি বলেন, সেখানে পানি, বাথরুমের পাশাপাশি খাবার ও ওষুধও রয়েছে। শিশু ও বয়স্ক নারীদের জন্য গরম কাপড় ও খাবার সহায়তা দিতে আমরা আশপাশের লোকদেরকে অনুরোধ করি। এদিকে হামলা আতঙ্কে লোকালয়ে বের হতে পারছে না কেউ। এসব বাসিন্দাদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

কিয়েভজুড়ে সাবওয়ে স্টেশন রয়েছে মোট ৫২টি। কর্তৃপক্ষ বলছে, এরইমধ্যে এসব স্টেশনে আশ্রয় নিয়েছে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ। সবমিলিয়ে ১ লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে রাজধানীর পাতাল রেল স্টেশনগুলোতে। ইউক্রেনের সাধারণ জনগণ অভিযোগ করে বলেন, সামরিক স্থাপনায় হামলার কথা বললেও রাশিয়া নির্বিচারে বোমা হামলা চালাচ্ছে বাড়িঘর, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সামরিক অভিযান ঘোষণার কয়েক মিনিট পরেই ইউক্রেনে বোমা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে রুশ সেনারা। এরপর থেকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। ইউক্রেন দাবি করেছে, যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ইউক্রেনের দুই হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যদিও নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানায়নি তারা। এ ছাড়া রাশিয়ার ৯ হাজার ১৬৬ সৈন্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি ইউক্রেনের।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer