প্রকাশিত: ১১/০৫/২০১৭ ১১:৪১ পিএম

অনলাইন ডেস্ক::ভারতের প্রধান বিচারপতিকে কারাদণ্ড দিয়ে আলোচনায় আসা কলকাতা হাইকোর্টের সেই আলোচিত বিচারপতি চিন্নাস্বামী স্বামীনাথন (সি এস) কারনান গ্রেপ্তার এড়াতে ‘নেপাল বা বাংলাদেশে’ পাড়ি জমিয়েছেন।

কারনানের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও আইনজীবীর বরাত দিয়ে গতকাল বুধবার ভারতীয় দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এতথ্য জানিয়েছে।

এর আগে কারনানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এরপরেই তাকে গ্রেপ্তারের জন্য কলকাতার পুলিশকে নির্দেশ দেন দেশটির শীর্ষ আদালত।

ডব্লিউ পিটার রমেশ কুমার নামে কারনানের আইনজীবীর বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, একমাত্র ভারতের প্রেসিডেন্ট সাক্ষাৎ দিলেই তিনি দেশে ফিরবেন।

চেন্নাইয়ের চিপৌক গভর্নমেন্ট গেস্ট হাউস থেকে বিচারপতি কারনান গতকাল বুধবার সকালে চেন্নাই থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে অন্ধ্র প্রদেশের চিত্তোর জেলার মন্দির কালাহস্তি পরিদর্শনের উদ্দেশে বেরিয়ে যান বলে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীদের জানানো হয়েছিল।

আইনজীবী রমেশ কুমার বলছেন, ওই বিচারক মোবাইল ফোনটি কালাহস্তি পাঠিয়ে দিয়ে তিনি নিজে উত্তর দিকের পথ ধরেছেন।

বিচারপতি কারনান সীমান্ত পেরিয়ে ‘নেপাল বা বাংলাদেশে’ ঢুকেছেন বলে দাবি করলেও তিনি কোন পথে, কীভাবে গেছেন তার বিস্তারিত কিছুই জানাননি।

একটি রায়কে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। সোমবার দেয়া ওই রায়ে ভারতের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহরসহ আট বিচারপতিকে পাঁচ বছর করে ‘সশ্রম কারাদণ্ড’ দেন বিচারপতি সি এস কারনান। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১ লাখ রুপি করে জরিমানাও করেন তিনি।

আদেশে তিনি বলেন, বর্ণ বৈষম্য, ষড়যন্ত্র, হয়রানি এবং আদালত অবমাননা প্রক্রিয়ার অপব্যবহারের দায়ে ওই বিচারকদের সাজা দেওয়া হয়েছে। ওই রায়ের পরেই তাকে ছয় মাসের কারদণ্ড দিয়ে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer