প্রকাশিত: ২৫/০২/২০১৮ ৮:১৭ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৬:০৯ এএম

উখিয়া নিউজ ডটকম::
মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার ভয়ে সীমান্তের তুমব্রু কোনারপাড়া শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে গেছে। এসব রোহিঙ্গা কোথায় গেছে, তা সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গারা নিশ্চিত নন।
শনিবার সকালে প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরেজমিন পরিদর্শন করে বিষয়টি নিশ্চিত হন।
সূত্র জানায়, ২৫ আগস্ট মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের ফলে রোহিঙ্গারা এদেশে পালিয়ে আসার ধারাবাহিকতায় প্রায় ৬ হাজার রোহিঙ্গা তুমব্রু শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়। এসব রোহিঙ্গার খাদ্য,ওষুধপত্রসহ যাবতীয় ত্রাণসামগ্রী বিভিন্ন এনজিও সংস্থা নিয়মিত দিয়ে আসলেও শূন্যরেখায় এপারে যেন আসতে না পারে সে ব্যাপারে বিজিবির কঠোর দিকনির্দেশনা ছিল বলে জানা গেছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রতিনিধিদল শূন্যরেখা পরিদর্শন করে সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তত থাকার ও পরিবারভিত্তিক তালিকা করার নির্দেশ দিলে রোহিঙ্গাদের ভীতসন্ত্রস্তের সৃষ্টি হয়। ফলে ২ হাজার রোহিঙ্গা হঠাৎ করে রাতের আঁধারে শূন্যরেখা ত্যাগ করার ঘটনা নিয়ে প্রশাসনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শফিউল আলম, বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হোসেন ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এসএম সরওয়ার কামাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তুমব্রু কোনারপাড়া শূন্যরেখা রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শন করে ২ হাজার রোহিঙ্গা উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনা নিশ্চিত হন।
পরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় বিজিবি, পুলিশ, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গে সঙ্গে মতবিনিময় করে বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে শূন্যরেখায় অবস্থিত রোহিঙ্গাদের তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ফেরত নেবে। তাদের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক থাকা-খাওয়া, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সমস্যা নিরসনে ব্যবস্থা নিয়েছে। এমতাবস্থায় রোহিঙ্গারা বস্তি ছেড়ে পালিয়ে গেছে এদেশের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হবে। তাই বস্তিতে বসবাসরত রোহিঙ্গারা যাতে কোনো অবস্থাতে স্থান ত্যাগ করতে না পারে সেদিকে নজর রাখার জন্য সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
শূন্যরেখা থেকে যেসব রোহিঙ্গারা ইতিমধ্যে পালিয়ে গেছে তাদের খুঁজে বের করে বিজিবি ও পুলিশের হাতে সোপর্দ করার পরামর্শ দেন।
এ সময় ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একে জাহাঙ্গীর আজিজ, সাবেক চেয়ারম্যান খাইরুল বাশার, ঘুমধুম ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) ইমন ও আইভি রহমান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি ছৈয়দুল বশর প্রমুখ।

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ইউএনএইচসিআরকে সহায়তা করবে ফ্রান্স

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইজেন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ...
Single Page Footer