প্রকাশিত: ২২/১১/২০১৭ ৮:১৭ এএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ১০:৪৫ এএম

নিউজ ডেস্ক::
তাড়াহুড়ো করে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মিয়ানমার নেতা অং সান সু চি। নেপিদোতে আসেম সম্মেলনের সাইডলাইন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সু চি বলেন, এই সংকট সমাধান করতে হবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায়। বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে শরণার্থী প্রত্যাবাসনের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে শুরু থেকেই নিরব ভূমিকায়, শান্তিতে নোবেল জয়ী মিয়ানমার নেত্রী অং সান সু চি। অ্যাপেক, আসিয়ানের মতো সম্মেলনগুলোতেও, রোহিঙ্গা ইস্যুতে অবস্থান স্পষ্ট করেননি তিনি।

এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগীতা বিষয়ক সম্মেলন আসেমে এবার সবার নজর রোহিঙ্গা ইস্যুতে। প্রথমদিন বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও, মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক করেন সু চি। পরে সংবাদ সম্মেলনে আসেন দুই নেতা।
মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি বলেন, “গতকাল অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে ইইউ, আসিয়ান ও অন্যান্য এশীয় দেশের প্রতিনিধিদের কাছে রাখাইন পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছি। যত দ্রুত সম্ভব সংকট সমাধানে আমরা কী পদক্ষেপ নিচ্ছি তাও জানানো হয়েছে। তাড়াহুড়ো করে এ সংকট সমাধান সম্ভব নয়। প্রথমত, আমাদের কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রশ্নও এর সঙ্গে জড়িত। শরণার্থীদের প্রত্যাবসনে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছি আমরা”।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি সেভেন মিক্সার বলেন, “সহিংসতা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেইসঙ্গে রাখাইন রাজ্যে ত্রাণ ও মানবাধিকার কর্মীদের প্রবেশের সুযোগ দেয়ার বিষয়েও কথা হয়েছে। সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের যে আন্তরিকতা রয়েছে, তাতে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরার পাশাপাশি, শরণার্থীরা নিজ ঠিকানায় ফিরতে পারবে বলে আশাবাদি আমরা”।

২৫ আগস্টের পর, বাংলাদেশের পালিয়ে এসেছে ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। তাদের অভিযোগ, সন্ত্রাস দমনের নামে গণহত্যা, ধর্ষণ ও বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে মিয়ানমার সেনারা।

পাঠকের মতামত

মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন

চলমান সংঘাতের মধ্যেই মালয়েশিয়া দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে। ...
Single Page Footer