
সম্প্রতি উখিয়া নিউজ ডটকম,কক্সবিডি নিউজ সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে গুলোতে প্রকাশিত "উখিয়ার শামীমের বিরুদ্ধে জঙ্গী কানেকশনের অভিযোগ";শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদে পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমার বড়ভাই জসিম উদ্দিনের বক্তব্য দিয়ে আমাকে জঙ্গী হিসেবে অবহিত করা হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিক্তিক জঙ্গী সংগঠনগুলোর সাথে যোগাযোগ থাকার কথা বলা হয়েছে। যা মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে,পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে আমার ভাইদের লোভ হওয়ার তারা আমার সম্পত্তিও দখলে নিতে তৎপর। এজন্য সম্প্রতি আমার বড়ভাই জসিম উদ্দিনের স্ত্রী জোসনা আক্তার আমার মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী নুর হোটেলে প্রকাশ্যে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এ ঘটনায় আমি উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করার পরদিন তারা সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে আমাকে জঙ্গী হিসেবে অবহিত করে অপ তৎপরতা চালাচ্ছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে তবলীগে জামায়াতের মেহনত করে আসছি,তবলীগের সফরে আমি ইয়েমেন,সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে গিয়েছি। কুতুপালং লম্বাশিয়ার অদুরে জরাইতলী নামক স্থানে বনবিভাগ থেকে লীজ নেওয়া আমার জায়গা রয়েছে,সেখানে মৎস্য খামার, গরু খামার সহ বাগান করা হয়েছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি সেখান এসব ছাড়া আইন বিরোধী কোন কর্মকাণ্ড নেই। তাছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আমি মেসার্স শাহীন এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্সে সুইস রেডক্রস, জার্মান রেডক্রস, কর্নসান সহ একাধিক এনজিও সংস্থায় ঠিকাদারি কাজ করছি। দেশব্যাপী উখিয়ার ঐতিহ্যবাহী নুর হোটেলের অনেক সুনাম। এই সুনামে ব্যাঘাত ঘটাতে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সাংবাদিক ভাইদের সরবরাহ করছে। ঢালাওভাবে আমার বিরুদ্ধে জঙ্গী সম্পৃক্ততার কালিমা লেপন করা হচ্ছে,আমি আল্লাহ্র খেতমত নিয়েই ব্যস্ত,এসব নিয়েই আমি থাকতে চাই। তাই এহেল মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাককারী বাহিনী সহ সবাইকে অনুরুধ করা যাচ্ছে।
প্রতিবাদকারী
শামসুদ্দিন শামীম
স্বর্তাধিকারী,নুর হোটেল।
উখিয়া