বিশেষ প্রতিবেদক::
লবণ চাষী বাঁচলে,বাঁচবে দেশ-শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। উৎপাদিত লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে চাষীদের বাঁচান এরকম ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে লবণের ন্যায্য মূল্যে নিশ্চিতের দাবিতে কক্সবাজারের টেকনাফে মানবববন্ধন ও শিল্প সচিব বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে লবণ চাষীরা।
গতকাল বুধবার বিকেলে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে টেকনাফ উপজেলা লবণ চাষী কল্যাণ সমিতি।
টেকনাফ উপজেলা লবণ চাষী কল্যাণ সমিতির আহবায়ক আলহাজ্ব শফিক মিয়ার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন চৌধুরী, সাদেকুর রহমান, আমির হোসাইন ও কায়সারুল ইসলামসহ বিভিন্ন এলাকার লবণ চাষি ও ব্যবসায়ীরা । মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর মাধ্যমে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ জাতীয় সচিবালয়ের শিল্প সচিব বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশীয় উৎপাদিত লবণ নিম্ন মূল্যে মাঠে বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদিত এসব লবণ বিক্রি প্রতি কেজি ৪ টাকা/প্রতি মণ ১৬০/১৮০ টাকা। যার উৎপাদন খরচ প্রতি কেজি ৫/৬ টাকা অর্থাৎ প্রতি মণ ২১০/২২০ টাকা। যার ফলে চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় এক-চতুর্থাংশ জমি অনাবাদি রয়ে যায়। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে লবণ চাষ /উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। এতে আমদানী নির্ভর হযে পড়বে দেশ। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ.আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি হাজার হাজার লবণ চাষী বেকার হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়বে। থাকবে অর্দ্ধহারে অনাহারে। এছাড়া গুটিকয়েক শিল্পপতি শিল্প লবণ আমদানীর নামে পাউডার লবণ এনে ভোজ্য লবণের মত বাজারজাত করছে।এর ফলে সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। এমতাবস্থায় শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে পাউডার লবণ না এনে তরল/রংযুক্ত লবণ আমদানী করে চাহিদা মিঠানো সম্ভব এবং দেশিয় লবণ সংকট উত্তোরণ ও লবণ চাষীদের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তিতে ভূমিকা রাখা যাবে।