
টেকনাফের হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কে হোয়াইক্যং ঢালায় ৪টি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ১টি মোটারসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। মোটরসাইকেলটি শামলাপুর বাজারের চাউল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর।
শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে হোয়াইক্যং-শামলাপুর সড়কের খুর খালী ব্রিজে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) সকালে শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ বিষয়টি জানিয়েছেন।
শামলাপুর করাচিপাড়ি ঢালার মুখ এলাকার শাকের আহমদ বলেন, ‘আমার বাড়ির কিছু দূরে খুর খালী ব্রিজে শুক্রবার রাতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসময় ৪ সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ১টি মোটরসাইকেল গতিরোধ করে ডাকাতি করে ডাকাতরা। অনেক আগে এই ঢালায় প্রতিনিয়ত ডাকাতি হতো। গত কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও ওই ঢালায় ডাকাতি বেড়ে গেছে।’
চাউল ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার ছোট ভাই আলী মুন্না ও জেঠাতো ভাই নুর পুতিয়া চট্টগ্রাম সিটি কলেজের শিক্ষার্থী। আমার মোটরসাইকেলটি নিয়ে তারা হোয়াইক্যং বাড়ি থেকে শামলাপুর চাউলের দোকানে আসার পথে ডাকাতির শিকার হয়। ১০/১২ সদস্যের ডাকাত দল তাদের মারধর করে আমার ইয়ামাহা-এফজেড ভার্সন-২ মোটরসাইকেলটি ডাকাতি করে নিয়ে যায়। ওই মোটারসাইকেলের নম্বর চট্টমেট্রো-ল-১১-২৫১৯। এ সময় আরও ৪ সিএনজিচালিত অটোরিকশা ডাকাতি করে তারা।’
ভুক্তভোগী আলী মুন্না বলেন, ‘শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুর খালী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে সামনে ৪টি সিএনজি সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো দেখতে পাই। কিছুক্ষণের মধ্যে কয়েকজন মুখোশ পড়া লোক আমাদের কাছে এসে মারধর করে মোটরসাইকেল থেকে নামতে বলে। আমরা প্রথমে না নামলে মারধর করে পরে আমাদের জোর করে নামিয়ে মোটরসাইলটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। সামনের ৪ সিএনজির যাত্রীদের কাছ থেকেও টাকা পয়সা, মালামাল লুট করে এবং তাদের কয়েকজনকেও মারধর করে ডাকাত দল গভীর জঙ্গলে ঢুকে যায়।’
শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুর মোহাম্মদ জানান, শুক্রবার রাতে ডাকাতির শিকার হয়ে ভুক্তভোগীরা খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে। এসময় ডাকাত দল পাহাড়ি জঙ্গলে ঢুকে যাওয়ায় তাদের ধরা সম্ভব হয়নি। তবে শামলাপুর-হোয়াইক্যং ঢালায় প্রতিদিন পুলিশের টহল থাকে।
বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।