আবদুল্লাহ আল আজিজ,উখিয়া নিউজ ডটকম :
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার প্রচারণার শুরু দিন থেকেই নেতাকর্মীদের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা-মামলা প্রচারণার গাড়ী ও মাইক ভাংচুরের ঘটনায় উত্তপ্ত ছিল রাজনীতির পরিবেশ।সম্প্রতি সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা সার্বক্ষণিক নির্বাচনী মাঠে অবস্থান করায় কর্মী সমর্থক ও ভোটারদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।নির্বাচনী মাঠে সেনা সদস্যরা কি ধরনের দায়িত্ব পালন করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার মো. নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, তারা মূলত বেসামরিক কর্তৃপক্ষের সহায়তা সংক্রান্ত নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে টহল ও অন্যান্য অভিযাত্রীক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা প্রদান করবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে তারা ভোট কেন্দ্রের ভিতরে ভোট গণনাকালে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করার কথা রয়েছে।
সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা নির্বাচনী মাঠে অবস্থান করায় বিরাজমান পরিস্থিতি জানতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে কথা হয়।
এ ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিন যতই ঘনিয়ে আসছিল ততই সাধারণ ভোটারদের মাঝে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বাড়ছিল। অনেকেই বলেছিলেন, ঝুঁকি নিয়ে ভোট কেন্দ্রে যাবেন না।
সেনাবাহিনী মাঠে নামার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে উখিয়া বাজারের বয়োবৃদ্ধ পরিমল সেন জানান, সংঘাত, মারামারি, হানাহানির শঙ্কা কেটে গেছে।
ভোটাররা এবার নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উখিয়া বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী জানান, যেকোনো নির্বাচনে ছোটখাটো বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। তবে তা মুখ্য বিষয় নয়। আসল কথা হচ্ছে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া।
নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী ও বিজিবি’র সার্বক্ষণিক উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটারের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয় ও নিঃসন্দেহে যার ভোট সে প্রদান করতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অধ্যাপক তহিদুল আলম তহিদ জানান, সেনাবাহিনী মাঠে নামার পর থেকে নির্বাচনী পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আশা করা হচ্ছে।