আমিনুল ইসলাম, নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)প্রতিনিধিঃ
সম্প্রতি বন্যায় রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দৌছড়ি নদীর উত্তরকুল নারিকেল বাগানের বিপরীতে পাশ সহ ব্যাপক এলাকায় নদী ভাংগনের সৃষ্টি হয়েছে
সরজমিনে দেখাযায় পাহাড়ি ঢাল বন্যর ব্যাপক পানি বাঘখালি নদীর প্রধান শাখা নদী দৌছড়ি খালের ব্যাপক সৃষ্টি হচ্ছে।
দুই পাশের কুল ঘেসে রয়েছে বিশাল জন বসতি
প্রাচিন এই জনপদের৷ মানুষের জীবন এখন দুঃবিসহ হযে উঠেছে। সুদুর প্রসারিত দোছোট খালোর প্রবল শ্রোতে তীব্র ভাংঘনের সৃষ্টি হয়েছে নদীর পার যা এখনেই ঠেকানো প্রযোজন।
বন্যার পানির শ্রোতের সাতে নদী ভাঙতে শুরু করেছে। এই ভাঙ্গন ঠেকাতে না পারলে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে পুরো এলাকা। বিগত বছর দুই এক আগে ভাঙ্গন প্রতিরোধে এর ভেড়ি বাঁধ দেওয়া হলেও এই বছর পাগাড়ি উজানি ঢলের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আবার ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।
এলাকার মেম্বার জয়নাল আবেদীন বলেন, এই মুহুর্তে যদি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা না হয়, তাহলে পুরো এলাকা পানিতে ভেসে যাবে এবং শত শত পরিবার ঘর হারা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি এইমূহূর্তে পদক্ষেপ না নিলে নিঃস্ব হয়ে পরবে এই এলাকার মানুষ।
এ বিষয়ে
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু ইসমাইল নোমান বলেন, দুই বছর আগে আমি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ২টি বাঁধ নির্মাণ করেছিলাম।এখন তা নষ্ট হয়ে গেছে, তাই পুনরায় তিনটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করলে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা যাবে বলে আসা করা যাচ্ছে । তবে স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙ্গন থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে হলে চারিদিক ব্লক বা ড্রেজিং এর ব্যাবস্থা করে স্থায়ীভাবেভাবে ভাঙ্গন রোধের উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে।
ছাত্র নেতা জাহাঙ্গীর সেলিম জানান
এলাকাবাসী প্রতিবেদককে জানান, নদী ভাঙনে ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কে রয়েছে তারা। এই নদী ভাংগন থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে অত্র এলাকার সাংসদ এমপি সাইমুম সরওয়ার কমলের সহযোগিতা একান্ত ভাবে কামনা করেন।
এই নদীর উৎপত্তি আরকান রাজ্যে এবং তা বাকঁখালী নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। হাজার হজার সাধারণ মানুষের ভিটে মাটি রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রযোজন মনেকরি।
স্তানিয় জনগণের সাতে আলাপে জানা জায় বেড়ীবাঁধ দিয়ে শুরুতে ভাংগন বক্ষা করতে পারলে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে এলাকা বাসি।