ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি::
টেকনাফে পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে নিহত ইয়াবার কারবারি সাইফুল করিম ৫ম বারের মতো এবছরও বাণিজ্যমন্ত্রনালয়ের সিআইপি মনোনীত হবার কথা ছিল। কিন্তু কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসনে পরিবর্তন আসায় আটকে যায় তার পুলিশ ছাড়পত্র। আর পুলিশের এক সাবেক আইজি ও টেকনাফের পরপর চার ওসির সাথে সখ্যের কারণে ১৭ বছরের ইয়াবা ব্যবসায় তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা হয়নি। মৃত্যুর আগে পুলিশকে এসব তথ্য জানান সাইফুল।
ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকায় প্রথম নামটি সাইফুল করিমের। একই মন্ত্রনালয়ের ৭৩ গডফাদারের তালিকায় তার নাম দুই নম্বরে। গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর তালিকায় শীর্ষ হলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের তালিকায় দুই নম্বর নামটি তার।
অথচ গত বছরের আগ পর্যন্ত তার নামে মাদকের কোনো মামলা ছিল না টেকনাফ থানায়। কারণ সেই সময়ে টেকনাফে পরপর ৪জন ওসি মো: মাইনুদ্দীন, ফরহাদ হোসেন, রনজিৎ দাসে আর জসিম উদ্দীনের সাথে সখ্য ছিল তার।
গতবছরের মে মাসে চট্টগ্রামে ১৩ লাখ ইয়াবা আটকে দুই আসামীর স্বীকারোক্তিতে প্র্থম আসে সাইফুলের নাম। এরপর থেকে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। এ অবস্থায় ৫ম বারের মতো বাণিজ্যমন্ত্রনালয়ের সিআইপি হবার ছাড়পত্রের আবেদন আটকে দেয় পুলিশ।
আগে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না হবার কথা স্বীকার করে এর কারণও জানায় পুলিশ।
দুবাই থেকে গোপনে দেশে ফিরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করতে চেয়েছিলেন সাইফুল। কিন্তু সেই সুযোগের আগেই বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে তার মৃত্যু হয়। তার আগে পুলিশের কাছে দিয়ে গেছে চাঝ্জল্যকর কিছু তথ্য।