সারের এমন সংকট চলাকালীন সময়েও মিয়ানমারে পাচার থেমে নেই। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচারকালে পৃথক দুই স্থান থেকে ১০২ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে উখিয়া উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মীরা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় সারের বস্তা আটক করে। উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার জানিয়েছেন, স্থানীয় সংঘবদ্ধ সার পাচারকারির দল দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে সারের বস্তা কিনে এনে পালংখালী আনজুমান পাড়া সীমান্ত দিয়ে পাচার করে আসছে।
পাচারকারি দল শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে নাফ নদের আনজুমানপাড়া ঘাট দিয়ে পাচার করার জন্য পালংখালী ইউনিয়নের চিতাখোলা নামক স্থানে মজুদ করে। খবর পেয়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় পাচারের জন্য রাখা ১০০ বস্তা সার জব্দ করেন।
অভিযানকালে পাচারকারিরা পালিয়ে যায়।
এর আগে পালংখালী স্টেশন দিয়ে পাচারকালে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন প্রত্যয় এর সাধারণ সম্পাদক তরুণ সমাজ সেবক রুবেলের নেতৃত্বে সংগঠনের কর্মীরা আরো ২ বস্তা সার জব্দ করে। এসময় এক পাচারকারিকে আটক করা হলেও জনতার গণপিটুনির শিকার হয়ে সে কৌশলে পালিয়ে যায়।
তবে পালিয়ে যাওয়া পাচারকারি অকপটে স্বীকার করেছে যে, স্থানীয় গয়ালমারা গ্রামের সার পাচারকারি সোনা মিয়ার গুদাম থেকে সারের বস্তা মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছিল।
তরুণ সমাজ কর্মী রুবেল জানান, এলাকার কৃষক সার পাচ্ছে না অথচ প্রায় রাতেই আনজুমান সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে সারের চালান পাচার হয়ে যাচ্ছে। গত দুই মাসে স্থানীয় বাসিন্দারা দফায় দফায় কয়েক শ বস্তা সার জব্দ করেছে।