কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি দখলের জন্য আলোচিত মারমেইড বিচ রিসোর্টের অংশবিশেষ গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় শুরু হয় দিনব্যাপী এ অভিযান। এতে রামু উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১৯৯৯ সালে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ বদরমোকাম পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। আইন অনুযায়ী, ইসিএ এলাকায় স্থাপনা নির্মাণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু প্যাঁচারদ্বীপ এলাকায় অনুমতি ছাড়াই গড়ে তোলা হয়েছে মারমেইড বিচ রিসোর্ট। সেখানে আবাসিক হোটেল-রেস্তোরাঁসহ নানা স্থাপনা রয়েছে।
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের প্যাঁচারদ্বীপ এলাকাটি লাল কাঁকড়ার বিচরণ ক্ষেত্র। ওই জায়গাটি কচ্ছপের ডিম পাড়ার জায়গাও। কিন্তু মারমেইড কর্তৃপক্ষ রাতে সেখানে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসব অনুষ্ঠানে করা লাইটিং ও উচ্চ আওয়াজের কারণে কচ্ছপ আসা বন্ধ হয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে লাল কাঁকড়াও।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সলিম উল্লাহর সই করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মারমেইড কর্তৃপক্ষ সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ানের জমিতে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে। বাধা দিলে সাময়িকভাবে বন্ধ করে পরে কাজ শুরু করে তারা।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মুছাইব ইবনে রহমান বলেন, প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় বালিয়াড়ি দখল করে মারমেইড বিচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ স্থাপনা নির্মাণ করেছিল। এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে