মাহাবুবুর রহমান::
শফিকুর রহমান প্রকাশ মৌলবী শফিক। পিতা মৃত জাফর আহামদ মাতা মৃত ফাতেমা বেগম সবাই রোহিঙ্গা। প্রায় ১৫/২০ বছর আগে মায়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে শহরের পাহাড়তলীতে আশ্রয় নিয়েছিল। প্রথমে সেখানে মসজিদে চাকরী করলেও পরে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক এনজিও সংস্থার সাথে যোগাযোগ বেড়ে যাওয়ায় হঠাৎ বনে যান বিপুল সম্পদের মালিক। পাহাড়তলীতে জমি কিনে বাড়ি করেন। পরে কিছু ঝামেলার কারনে পাহাড়তলীতে ছেলে চলে যান শহরের গুদার পাড়ায়। সেখানে রেজিস্ট্রাট ২ টি জমি কিনে করেছেন দুটি আলিশান বাড়ি। যার আনুমানিল মূল্য ২ কোটি টাকা। সেখানে বর্তমানে দুই স্ত্রীর জন্য রয়েছে দুটি আলিশান বাড়িতে। এছাড়া প্রথম স্ত্রী রেনুয়ারার রয়েছে ৩ মেয়ে ১ ছেলে। সেই ছেলে বর্তমানে কুষ্টিয়া জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে পড়ে। দ্বিতীয় স্ত্রী দিলরুবা খানম তার ঘরেও রয়েছে ২ ছেলে। উভয় স্ত্রী ও রোহিঙ্গা বলে জানা গেছে। মৌলবী শফিকরা ৬ ভাই ৩ বোন। যার ভাইয়ের মধ্যে মোহাম্মদ জমির থাকে পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা পূর্ব ঘোনারপাড়া এলাকায়, মোহাম্মদ কামাল সৌদি আরবে মারা গেছেন,মাহাবুবুর রহমান সৌদি আরবে থাকেন স্বপরিবারে,ওবায়দুর রহমান দোকান করে,এখলাছুর রহমান ছনখোলা আয়েশা ছিদ্দিকা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে,বোনের মধ্যে রাবেয়ার বাড়ি পিএমখালী কাঠালিয়া মোরা,শামিমা আকতার ছনখোলা স্বামী আবু ছালেহ,তৃতীয় বোন ইয়াছমিন আক্তার স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ হয়েছে। এদিকে পাহাড়তলী এলাকার বেশ কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে,পুরাতন রোহিঙ্গাদের আশ্রয় পশ্রয় নতুন আসা রোহিঙ্গা ইয়াবা ব্যবসা সহ নানান অপকর্ম করে যাচ্ছে। নতুন রোহিঙ্গারা তাদের পূর্ব পরিচিত অথবা নিটক আত্বীয় যারা শহরে থাকা তাদের বাড়িতে আম্রয় নেয়। এবং সেখান থেকে ইয়াবা বিক্রি করে যা লাভ এখানে থাকা রোহিঙ্গারা পাচ্ছে। আর মৌলবী শফিক একজন প্রকৃত রোহিঙ্গা সেখানে কোন সন্দেহ নেই। সে এক সময় পাহাড়তলীতে থাকতো সে সময় থেকে বিভিন্ন অপরাধ এবং আর্ন্তজাতিক সংস্থার সাথে জড়িত ছিল। যার ফলে সে সরকারি বিরুধী বা নাশকতা মামলার আসামী হয়ে জেল খেটেছে। তাই ঝামেলা এড়াতে বর্তমানে গুদার পাড়ায় থাকে। কিন্তু সেখানে কিভাবে রেজিস্ট্রাট জমি কিনা দুটি বিল্ডিং করেছে আমরা জানিনা। এখানে থাকতে তার খুব বেশি টাকা পয়সা ছিলনা। মনে হয় বর্তমানে ইয়াবা ব্যবসা জমিয়ে তুলেছে। এদিকে গুদার পাড়া এলাকার,হানিফ,শফিক,তারেক সহ অনেকে জানান,মৌলবী শফিক রোহিঙ্গা সেটা এলাকার অনেকে জানে তবে তার এত কূকর্মের কথা অনেকে জানেনা। তার বাড়িতে সাধারণত কেউ যায় না। তবে অনেক রোহিঙ্গাদের তার দুটি বাড়িতেই থাকে এটা সত্য। আসলে এলাকার বড় বা মুরব্বিরা কিছু বলেনা তাই আমরাও চুপ থাকি। এভাবে আর হতে পারে না। শুধু শফিক নয় অনেক রোহিঙ্গা এখানে বাড়ি করে নানান অপকর্ম করছে। তারা এখন স্থানীয়দের চেয়ে বেশি প্রভাব দেখায়। এদিকে রোহিঙ্গা শফিকের ছেলে মেডিকেলে পড়ে বিষয়টি জানাজানি হলে অনেকে হতবাক হয়ে যায়। এভাবে রোহিঙ্গারা ডাক্তার সহ সরকারি কর্মকর্তা হলে গেলে আমাদের ভবিষ্যত কি ? এরা একদিন সব কিছু দখল করে ফেলবে। তাই তাদের পুরু তথ্য উপাত্থ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ জানানোর কথা জানান স্থানীয়রা।