উপকূলীয় প্রতিনিধি::
টেকনাফ বাহারছড়ায় অবৈধ ভাবে কোনো আইনি বাধা ছাড়া চলছে বেশ কয়েকটি অবৈধ করাত কল। জানা যায় বাহারছড়া শামলাপুর এলাকায় স্থাপিত এই করাত কল গুলোতে স্থানীয় পাহাড়ের বিভিন্ন মুল্যবান গাছ এবং সাগর পাড়ে রোপিত ঝাউগাছ প্রতিনিয়ত চিরাতে থাকলেও মুলত স্থানীয় বনবিভাগ এটি দেখেও না দেখার ভান করে আছে বলে স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের অভিযোগ। সূত্রে জানা যায় শামলাপুরে এই অবৈধ করাত কল গুলোর মালিকরা স্থানীয় বিট অফিস, রেঞ্জ অফিস, ও আইন প্রয়োগকারী একটি সংস্থাকে প্রত্যেক মাসে একটি নিদ্রিষ্ট পরিমান মাসোহারা দিয়ে তাদের এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এদিকে এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে স্থানীয় শামলাপুর বনবিটের ভারপ্রাপ্ত অফিসার মনজুর আলম বলেন স্থানীয় বিট অফিস ও রেঞ্জ অফিস এই অবৈধ করাত কল গুলো থেকে কোনো মাসোহারা নেয় না। গত কিছু দিন আগেও গাছ কালু নামক এক ব্যক্তির করাত কলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু ঝাউগাছের অবৈধ কাঠ জব্দ করেছে এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। আর অবৈধ এই করাত কল গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট অফিসে রির্পোট করা হয়েছে। এদিকে পৌর শহর বিহীন সরকারী বনভুমির নিকটবর্তী এলাকায় কোনো করাত কল স্থাপন না করা গেলেও মুলত আইনের প্রতি কোনো তোয়াক্কা না করে কিছু ব্যক্তি করাত কল স্থাপন করে প্রতিদিন শত শত ফুট পাহাড়ের অবৈধ কাঠ ও সাগর পাড়ের ঝাউগাছ চিরিয়ে বনভুমিকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে স্থানীয় পরিবেশবাদী মহলের অভিযোগ। এদিকে করাত কল মালিকদের মধ্যে গাছ কালু, হামিদ হোসেন, রফিক উল্লাহ নামক ব্যক্তিরা অনেক দাপটের সাথে তাদের এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা যায়। এই প্রসঙ্গে বাহারড়ায় পরিবেশবাদী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ও বাহারছড়া বন ও পরিবেশ রক্ষা কমিটি (সিএম সি) সাবেক সভাপতি সাইফুল কো¤পানি বলেন স্থানীয় বনভূমিকে রক্ষা করতে এই অবৈধ করাত কল গুলো বন্ধ করা দরকার, কারণ এখানে প্রতিনিয়ত বনভূমির শত শত গাছ চিরানো হচ্ছে। অন্যদিকে এই ব্যাপারে মুঠোফোনে টেকনাফ হোয়াইক্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিমের কাছে জানতে চাইলে প্রথমে তিনি নামাযে আছে বলে ফোন কেটে দেন, ঘন্টাখানেক পর তাকে আবার ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ না করে পুনঃরায় কেটে দেন।