
গত ২২ সেপ্টেম্বর আলোকিত উখিয়া নিউজ নামক অনলাইন পোর্টাল ও সংবাদ মাধ্যমে "বালুখালীতে চিকিৎসা সেবার নামে রোগীর স্বজনদের পকেট কাটছে ডক্টরস চেম্বার" শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে।সংবাদটি ডাহা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, উদ্যেশ্যে প্রনোদিত।আমরা উক্ত প্রকাশিত সংবাদের জোর প্রতিবাদ জানিয়ে ব্যাখ্যা করছি যে,বালুখালী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড ডক্টরস চেম্বার খানা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর,সিভিল সার্জন কার্যালয়,কক্সবাজার, পরিবেশ ছাড়পত্র সহ সম্পূর্ণ বৈধভাবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাণিজ্যের চেয়ে সেবার মন মানসিকতায় এলাকার হতদরিদ্র, অসহায়- অসচ্ছল মানুষের স্বল্প টাকায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।সার্বক্ষনিক ৪ জন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এমবিবিএস চিকিৎসক (নারী-পুরুষ) দ্ধারা চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।তাতে এলাকার অনেক অসহায় দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যেও চিকিৎসা দিয়েছি।বালুখালী এলাকার আবদুর রহিম,দিদারুল আলম,মাছ বেপারী জাফর,বাদল,পশ্চিম পাড়ার আবদুল গনির স্ত্রী সহ অসখ্য জটিল রোগীর মানবিকতায় চিকিৎসা সেবা দিয়েছি।যা সরেজমিন তদন্ত করলে সত্যতা মিলবে।আলোকিত উখিয়া পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে আমাদের বক্তব্য সুস্পষ্ট যে,আমাদের প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি সময়ে একজন চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছিলাম।যিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওতে চাকরীরত।
তিনি যেসব চিকিৎসায় পারদর্শী হিসেবে জাহির করছিলেন,তাতে তিনি পুরোপুরি সক্ষমতা অর্জন না করাই রোগীদের চিকিৎসা সেবাই মানোন্নয়নে তাকে আপাতত নিয়োগ স্থগিত করে দিই।এতে ওই চিকিৎসক মনক্ষুদ্ধ হয়ে কক্সবাজারে গিয়ে এক সংবাদকর্মীকে উল্টো এবং মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করে সংবাদটি উদ্যেশ্য প্রনোদিত হয়ে পরিবেশন করানো হয়েছে।ওই সাংবাদিক ভাই বালুখালীতে আমাদের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে সরেজমিনে না এসে মনগড়া ভাবে সংবাদ পরিবেশন করেছে।সাংবাদিক সাহেব চেম্বারে এসে চিকিৎসা প্রার্থী রোগী,এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে,আমাদের ল্যাব পরিদর্শন করে সংবাদ পরিবেশন করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতো।আর সাংবাদিক ভাই মোবাইলে প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল মিয়ার নিকট জানতে চেয়েছেন,তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেছেন,পাশে থাকা রুহুল আমিন যিনি উখিয়া উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার এবং বালুখালী ডিজিটাল ল্যাব ও ডক্টর চেম্বারের পরিচালক,রাজাপালং ইউপির একাধিক বারের নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন,উখিয়া ডিগ্রী কলেজ গর্ভণিং কমিটির সদস্য।তাঁহার এক ছেলেও সংবাদকর্মী।নাম তানভির শাহরিয়ার।রুহুল আমিন কে নিয়ে হেয় মুলক মিথ্যা কথাবার্তা বলাও সৌজন্যতাবোধে পড়ে।প্রতিবেদকের আচরণ ছিল শিষ্টাচার বহির্ভূত। হেলাল মিয়া এবং রুহুল আমিন যা বলেনি,তা লিখে হেয় করলেন।সংবাদে যিনি অভিযোগ কারী তাঁর নাম উল্ল্যেখ করলেন না।সুতরাং সংবাদটি বিভ্রান্তিকর ছাড়া কিছুই নয়।আমরা উক্ত মিথ্যা সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মোঃ হেলাল মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক,
শ.ম.গফুর(সাংবাদিক),পরিচালক,
বালুখালী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড ডক্টরস চেম্বার।
বালুখালী, উখিয়া,কক্সবাজার।