উখিয়া নিউজ ডেস্ক::
উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চল ও সমুদ্র বন্দরের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর,কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ফলে এসব এলাকার নদী বন্দরে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সাগরে লঘু চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তাই সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় এবং নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সংকেত অব্যাহত থাকবে। সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপের পরিণত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আরও দুইদিন রাজধানীসহ দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে বজ্রপাতও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা অপিবর্তিত থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পাবে। বেশিরভাগ সময় আকাশ মেঘলা থাকবে। রোববার (৯ জুন) থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে পারে।’
ঈদের প্রথমদিন বুধবার (৫ জুন) সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টির পর দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার রাজধানীতে সকালে রোদের দেখা দেয়। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকশের মুখ গোমড়া হয়ে যায়। বিকেলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও কয়েক মিনিটে থেমে যায়। সকালের গরমের আবহাওয়া ঠাণ্ডা বিরাজ করছে। এতে ঈদের আনন্দ উভোগ করতে রাজধীনর বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় জমান দর্শনার্থীরা।