সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত, ১০ হাজার ইয়াবা লক্ষ্যস্থানে, বাকি ১০ হাজারসহ রোহিঙ্গা আটক: নেপথ্যে উখিয়ার বক্তার মেম্বার, অধরাই গডফাদার, শীর্ষক প্রতিবেদনের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে।

প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর এবং আমার ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়। সংবাদটিতে আমার বিরুদ্ধে যেসব দাবি করা হয়েছে, সেগুলোর পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ, কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি।
আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, উক্ত ঘটনায় আটক রোহিঙ্গা ব্যক্তিদের সাথে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। তাদের কর্মকাণ্ডের দায়ভার আমার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। একটি স্বার্থান্বেষী মহল দীর্ঘদিন ধরে আমার সুনাম নষ্ট করতে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে আসছে, এবং এই সংবাদ তারই ধারাবাহিকতা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি হচ্ছে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমার বক্তব্য গ্রহণ না করেই একতরফাভাবে অসত্য, মনগড়া ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা ন্যূনতম পেশাগত ও নৈতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী।
আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে অবিলম্বে এই বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদের সংশোধন, যথাযথ ব্যাখ্যা প্রকাশ এবং প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় আমার সম্মান ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার দায়ে প্রচলিত আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করছি।
পাশাপাশি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
সত্য কখনো গুজব ও অপপ্রচারের কাছে পরাজিত হয় না। জনগণকে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত সত্য যাচাই করার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিনীত,
বখতিয়ার আহমদ,সাবেক ইউপি সদস্য
পিতা: আব্দুল মজিদ
বালুখালী, পালংখালী, উখিয়া, কক্সবাজার।