বিশেষ প্রতিবেদক::
সারাদেশের মতো কক্সবাজারের টেকনাফ-উখিয়া উপজেলায় প্রথম সারির (১৫ ক্যাটাগরি) সম্মুখে যোদ্ধারা নিবন্ধনকৃত ৮১জনকেই টিকা দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার সকাল ১০টায় থেকে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক (ভ্যাকসিন) টিকা প্রদান। উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।এ উপলক্ষে আজ রোববার উখিয়া ও টেকনাফে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৃথক পৃথকভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকালে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোভিড-১৯ এর টিকাদান কেন্দ্রে উদ্ধোধন উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক টিটু চন্দ্র শীলসহ চিকিৎসক, পুলিশ প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা, সাংবাদিক, অন্যান্য সম্মুখে সারির যোদ্ধারা স্বতপূর্ত ভাবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় টেকনাফ পৌরসভার প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমা প্রথম টিকাদানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়েছে। প্রথমদিনে টেকনাফে ৫১জন টিকা গ্রহণ করেছেন।
টেকনাফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক টিটু চন্দ্র শীল বলেন, ১৫ ক্যাটাগরি প্রথম সারির নিবন্ধনকৃত সম্মুখে যোদ্ধাদের এ টিকা দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে তিনটি টিকাদান কেন্দ্র থাকলেও দুটি চালু রাখা হয়েছে এবং নিবন্ধনের জন্য নতুন করে একটি বুথও স্থাপন করা হয়েছে। প্রথম দিনে ১৭নারী ও ৩৪ পুরুষসহ ৫১জন এ টিকা গ্রহণ করেছেন। ঠিকা প্রদানের জন্য প্রতিদিন অফিস চলাকালীন সময়ে নিবন্ধনকৃত লোকজন টিকাদান কেন্দ্রে এসে টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।
অন্যদিকে, একইদিন উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিজাম উদ্দিন আহমেদ। এসময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক রাজন বড়ুয়া রঞ্জনসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার চিকিৎসক ও সরকারি কর্মকর্তা-কমচারীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রথমদিনে উখিয়ায় ৩০জন এ টিকা গ্রহণ করেছেন।
উখিয়ায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক রাজন বড়ুয়া রঞ্জন বলেন, শুরুরদিনে আমাদের টার্গেট ছিল ৭০ থেকে ৮০ জনের। কিন্তু স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছে ৩০ নারী-পুরুষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের টিকাদান কেন্দ্রে এ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথম দফায় কক্সবাজার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে টেকনাফ-উখিয়া উপজেলার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আড়াই হাজার করে সবমোট ৫ হাজার টিকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।