অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, ৪নং রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্য ও (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) সালাহ উদ্দিন এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর যে আইনি ও মানসিক নিপীড়নের চিত্র আমরা দেখছি, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
একজন জনপ্রতিনিধি, যিনি জনগণের সেবায় নিয়োজিত, তার পরিবারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা প্রশাসনিক অতি-উৎসাহের লক্ষ্যবস্তু বানানো সুস্থ সমাজব্যবস্থার পরিপন্থী।
বিশেষ করে ৮৫ বছরের একজন শয্যাশায়ী বৃদ্ধ বাবা এবং অবুঝ এক শিশু কন্যাকে আইনি প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে যে অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে, তা আমাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও বিবেককে ব্যথিত করে। পরিবার একটি পবিত্র প্রতিষ্ঠান; রাজনৈতিক বা আদর্শিক বিরোধের জেরে নিরপরাধ নারী, বৃদ্ধ ও শিশুদের টেনে আনা কোনো বীরত্ব নয়, বরং এটি কাপুরুষোচিত মানসিকতার প্রতিফলন।
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন ও রাজনীতির ভূমিকা হওয়া উচিত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
যখন ক্ষমতা বা প্রভাবের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক সহনশীলতাকে পদদলিত করা হয় এবং নিরপেক্ষতার দেয়াল ভেঙে কাউকে একতরফাভাবে হয়রানি করা হয়, তখন সাধারণ মানুষের শেষ আস্থার জায়গাটি নড়বড়ে হয়ে যায়।
রাজাপালং ইউনিয়নের সালাহ উদ্দিনের পরিবারের সাথে এই আচরণ কেবল একটি পরিবারের ওপর আঘাত নয়, বরং এটি সমগ্র বিচারব্যবস্থা ও মানবিক মূল্যবোধের অবমাননা।
আমি সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাই—পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দিন।
আইনের শাসন যেন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আক্রোশ মেটানোর হাতিয়ার না হয়।
অনতিবিলম্বে চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিনের অসুস্থ বাবা, শিশু ও নারী সদস্যদের অব্যাহতি দিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি। ক্ষমতার দাপটে অন্ধ না হয়ে আসুন আমরা মানবিকতা ও সহাবস্থানের রাজনীতি চর্চা করি।
জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী
চেয়ারম্যান, উখিয়া উপজেলা পরিষদ ও সভাপতি উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ।