হুমায়ুন কবির জুশান, উখিয়া ::
বর্তমান সরকারের অভুতপূর্ব উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এ ক্ষেত্রে গ্রামীণ অবকাঠামোর পাশাপাশি রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক উন্নত যোগাযোগ চোখে পড়ার মতো। গ্রামীণ অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহন এবং মানুষের যাতায়ত দ্রুত করতে সমৃদ্ধ যোগাযোগব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। উখিয়ার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের রাস্তা পাকাকরণ করে অর্থনীতির পুনর্জাগরণ সৃষ্টি করে। কিন্তু উখিয়া সদর হাজির পাড়া সড়কের কাজ দুই বছর আগে শুরু হলেও এখনো শেষ করতে পারেনি। ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের গাফেলতির কারণে এমনটি হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। উখিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও সার্ভেয়ার মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, ৬৭ লাখ টাকা বাজেটে হাজিরপাড়া সড়কের ১ কিলোমিটার কাজ বৃষ্টির কারণে বার বার বাধাগ্রস্থ হয়েছে। তাই যখাসময়ে শেষ করতে পারেনি। এখন কাজ করার উপযুক্ত সময়। শিগ্রই পূণরায় কাজ শুরু হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এই সড়কের কাজ শেষ হলে হাজিরপাড়া, মৌলভিপাড়া, খয়রাতিপাড়া ও দোছড়ি এলাকার জনগণ উপকৃত হবে। স্থানীয় হাজিরপাড়া এলাকার মোহাম্মদ আয়াছ বলেন, ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এই দায় এড়াতে পারেন না। আমরা এলাকাবাসি এই সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজের গুণগত মান নিয়েও সন্দিহান। গত দুই বছরে ঠিকাদারকে কাজের ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখছি না। একদিকে বৃষ্টি অন্যদিকে করোনা এভাবে নানা অজুহাতে বিলম্বিত হচ্ছে সড়কের কাজ। অনতিবিলম্বে টেকসই কাজ করার আহবান জানান এলাকাবাসি। যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই সড়ক। গ্রামীণ কৃষি পণ্য আনা-নেওয়ার পাশাপাশি মানুষের আয় বাড়বে-জীবন পরিবর্তন আসবে। সব মিলিয়ে এলাকার একটা অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিস্তার ঘটবে বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল। সরেজমিন হাজির পাড়া সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, কাজ যা হয়েছে তা চার দিনের মাথায় উঠে গেছে। উখিয়ার গ্রামীণ রাস্তা ঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হলে বেড়ে যাবে জমির দাম। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা উখিয়ায় ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যেমন সরকারের রয়েছে ঠিক তেমনিভাবে শিল্প উদ্যোক্তারা কারখানা গড়তে আগ্রহী বলে জানা গেছে।